
আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে পূর্ব শত্রুতার জেরে মামুন মিয়া (৩৫) নামে এক যুবককে আটক করে গাছে বেধে নির্যাতন করেছে প্রতিপক্ষের লোকেরা। পরে পুলিশ খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার বিশনন্দী ইউনিয়নের দড়ি বিশনন্দী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, আক্রান্ত যুবক মামুন মিয়া একটি মারামারি মামলার আসামী। এর জের ধরে শনিবার বিকেলে মারামারির মামলার বাদী পক্ষের সুমন মিয়া, তার সহোদর মামুন মিয়া, দুলাল মিয়া, মোমেন মিয়াসহ তাদের সহযোগিরা মিলে তাদের অভিযুক্ত মামুনকে বাড়ি থেকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। পরে মামুনকে পাশের একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করে। নির্যাতনের ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে বিসয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। এ সংবাদ পেয়ে ওইদিন সন্ধ্যার দিকে গোপালদী তদন্ত কেন্দ্রের এস আই শওকত হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে
মামুনকে গাছের সঙ্গে বাঁধা ও গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে তাকে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
ওই এলাকার বাসিন্দা হোসেন আলী জানান, দেড় মাস আগে তার প্রতিবেশি সুমন মিয়ার সাথে বাক বিতন্ডার এক পর্যায়ে মারধরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মামুনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করে সুমন। কিন্তু মামুনকে পুরিশ গ্রেফতার করতে না পারায় তাকে বাড়ী থেকে ধরে নিয়ে গাছের সাথে বেঁধে নির্যাতন করেছে সুমন ও তার সহযোগিরা।
থানার উপ পরিদর্শক শওকত হোসেন জানান, মামুনকে গাছের সাথে বেঁধে মারধর করা হয়েছে। মারধরে এক পর্যায়ে অচেতন হয়ে গেলে নির্যাতনকারীরা মামুনকে রেখে পালিয়ে যায়। পরে খবর পয়ে মামুনকে উদ্ধার করে আড়াইহাজার সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাকে সেখানে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। পূর্ব শত্রুতার জেরে এ ঘটনাটি ঘটেছে। বর্তমানে মামুন পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
আড়াইহাজার থানার ওসি আলাউদ্দিন জানান, এ বিষয়ে মামুনের পক্ষ থেকে মামরা দেয়া হলে তা গ্রহণ করা হবে।