দেশজুড়ে

উচ্ছ্বসিত ভোটাররা

  প্রতিনিধি ১৬ জানুয়ারি ২০২১ , ৩:৫২:২২ প্রিন্ট সংস্করণ

ভোরের দর্পণ ডেস্কঃ
সংঘাত ও সহিংসতার শঙ্কার মধ্যেই দ্বিতীয় ধাপের ৬০ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আজ। সকাল আটটা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোট নেওয়া হবে। ২৯টিতে ইভিএম এবং ৩১টিতে কাগজের ব্যালটে ভোট নেওয়া হবে।লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ইভিএম ও ব্যালটের মাধ্যমে ২২১ মেয়রপ্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করছেন ভোটাররা। প্রতিটি কেন্দ্রেই পুরুষের পাশাপাশি নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বিভিন্ন স্থানে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা, পেট্রোলবোমা নিক্ষেপসহ নানা ঘটনায় ওইসব এলাকার প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

 

প্রার্থীদের প্রচারণায় উত্তাপে সৃষ্টি হওয়া শঙ্কা ছাপিয়ে উৎসবমুখর দ্বিতীয় দফার পৌরসভা নির্বাচন। করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনেই শনিবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় ভোট। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া পাহারা। জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের পর সন্তোষ জানান তারা। ভোটারদের চোখেমুখে কমতি ছিল না উচ্ছ্বাসেরও।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইভিএমের ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে ভীতি দূর হবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা যে অপপ্রচার চালিয়েছেন, জনগণ এটা ব্যবহার করলে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়বে।

সকাল থেকে নতুন ভোটারদেরও উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রথমবারের মতো ভোট দিয়ে সন্তুষ্ট তারা। একই সঙ্গে ভোটকেন্দ্রের উপস্থিতিকে নিজেদের সফলতা দেখছে নির্বাচন কমিশন।

রাজশাহীর আরানি মোনমোহিনী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মনসুর আলী বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হচ্ছে। ঠান্ডার মধ্যেও সবাই ভোট দিতে আসছেন।

ময়মনসিংহের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ আমরা নিশ্চিত করতে পেরেছি। এখন পর্যন্ত প্রার্থীরা আমাদের কো-অপারেশন করছেন।

এদিকে সহিংসতার কারণে নির্বাচনের পরিবেশ নির্বিঘ্ন রাখার চ্যালেঞ্জ বাড়ে সংশ্লিষ্টদের। এ কারণেই ভোটের দিন কেন্দ্রে কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিও বাড়ানো হয়। পুলিশের সঙ্গে কাজ করছে র‌্যাব ও বিজিবি। মাঠে টহল দেখা যায় নির্বাহী ও বিচারিক হাকিমদের।

আরও খবর

Sponsered content