
আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকার ও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষে শুরু থেকেই বিভিন্ন প্রচার-প্রচারণা অব্যাহত রাখা হয়েছে। রাজপথে রয়েছে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সোনাবাহিনীও। তবুও কিছু অসচেতন মানুষ সবকিছু জেনেও নিয়ম-কানুনগুলো সঠিক ভাবে মেনে চলছেন না। তাই সরকারের পাশাপাশি নিজের এলাকা ও এলাকার মানুষকে করোনা ভাইরাস মুক্ত রাখতে, এলাকা থেকে কোন মানুষকে বিনা প্রয়োজনে বাহিরে বের হতে না দেওয়া, বাহিরের কোন মানুষকে এলাকার মধ্যে প্রবেশ করতে না দেওয়া, সন্ধ্যা ৬ টার পর নিজ ঘর থেকে অযথা বাহিরে বের না হতে, এলাকার প্রধান প্রবেশ পথে হাত ধোয়ার জন্য পানি-সাবান রাখা ও সচেতনমূলক নানা রকমের কর্মকান্ড অব্যাহত রেখেছেন বগুড়ার সান্তাহার পৌরসভার ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ডের দুই কাউন্সিলর জার্সিস আলম রতন ও আলহাজ আব্দুল কুদ্দুস। সান্তাহার নিজ উদ্যোগে কিছু স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। এই দুই কাউন্সিলের সম্পর্ক তারা শ্বশুর-জামাই। তারা প্রতিদিন তাদের নিজস্ব ওয়ার্ডের সান্তাহার শহরের ১নং রেলগেইট হতে চা-বাগান জামে মসজিদ হয়ে কলেজ পযর্ন্ত এক গ্রæপ আর কলেজ থেকে মালশন গ্রাম পর্যন্ত পালাক্রমে পাহারা দিয়ে আসছেন। অযথা যারা ঘরের বাহিরে বের হচ্ছেন তাদের কে বুঝিয়ে বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাহিরে আসতে নিষেধ করছেন। তার এলাকার বিভিন্ন মোড়ের দোকানে লোকজনের জটলা দেখলে তা ভেঙ্গে দিচ্ছেন। সবাইকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের নিয়মগুলো সঠিক ভাবে পালনের আহŸান জানিয়ে আসছেন। এছাড়াও সরকারের পাশাপাশি ওই দুই কাউন্সিলর নিজ উদ্যোগে কর্মহীন মানুষদের মাঝে প্রয়োজনীয় খাবার সামগ্রী বিতরন করে আসছেন।
এ ব্যাপারে কাউন্সিলর আলহাজ আব্দুল কুদ্দুস ও জার্সিস আলম রতন বলেন, আমরা সবাই যদি প্রথমে আমাদের নিজ নিজ বাড়ি ও এলাকারে সুরক্ষিত রাখতে পারি তাহলে এভাবে পুরো দেশই করোনা ভাইরাস মুক্ত থাকতে পারে। কিন্তু আমরা তা না করে এক মহা আনন্দে মিলিত হয়েছি কিছু কিছু অসচেতন মানুষদের অবস্থা দেখে এমনটাই মনে হচ্ছে। তাইতো আমরা নিজের থেকেই আমরা এলাকার মানুষকে সচেতন করা ও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে নিয়ম-কানুনগুলো পালনে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা চালিয়ে আসছি। আগামীতেও আমরা এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। শুধুমাত্র এলাকার সচেতন মানুষদের সার্বিক সহযোগিতা চাই।