
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট -২০২৬ উপলক্ষে গোপালগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশ্রারাফুল আলম শিমুলের নির্বাচনী ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) গভীর রাতে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ননীক্ষীর ও কাশালিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে ।
এ ব্যাপারে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে কারাবন্দী স্বতন্ত্র প্রার্থী আশ্রাফুল আলম শিমুলের পক্ষে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
এ বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশ্রাফুল আলম শিমুলের ছেলে খায়রুল আলম সায়াদ বলেন, “আমার বাবা রাজনৈতিক মিথ্যা মামলায় বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। আমি তার একমাত্র ছেলে এবং এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবো। বাবার অনুপস্থিতিতে আমি তার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছি। আমাদের গণজোয়ার দেখে গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা কাশালিয়া ইউনিয়নের কাশালিয়া সড়ক ও ননীক্ষীর ইউনিয়নের মহেশতলী এলাকায় টাঙ্গানো ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলেছে। এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ছাড়া আর কিছু নয়।” তিনি আরও বলেন, “এ ধরনের হীন কাজ নির্বাচন আচরণবিধির পরিপন্থী। আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয়রা জানান, আগের দিন ওই সব এলাকায় ব্যানার ও ফেস্টুন টানানো ছিলো। সকালে গিয়ে তারা দেখতে পান সেগুলো ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “যে-ই করুক, এটি ঠিক হয়নি। নির্বাচনী প্রচারণা সব প্রার্থীর মৌলিক অধিকার। এসব করে জনগণের মন থেকে কাউকে সরানো যায় না।”
এ ব্যাপারে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবির বলেছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী আশ্রাফুল আলম শিমুলের পক্ষ থেকে আমাদের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। এসব অভিযোগ তদন্ত করার জন্য ইনকোয়ারি কমিটি গঠন করেছে জেলা ও দায়রা জজ। আমরা এটি ইনকোয়ারি কমিটির কাছে পাঠিয়ে দিবো। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচন সমন্বয়কারীকেও ইনকোয়ারি কমিটির কাছে সরাসরি অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি। রাতের অন্ধকারে কে বা কারা এটি করেছে তা কেউ দেখেনি। তাই তদন্তের পর এটি জানাযেতে পারে। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশের স্বার্থে এ ধরণের কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য আমরা সকলের প্রতি আহবান জনাচ্ছি।