
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট -২০২৬ এ গোপালগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকে নবনির্বাচিত এমপি ডাঃ কে এম বাবর কে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান বীর মুক্তিযোদ্ধা সহ সাধারণ মানুষ।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুর্ভেদ্য দুর্গ হিসেবে পরিচিত গোপালগঞ্জ-২ আসন। যেখানে এক সময় বিএনপির রাজনীতি করা ছিলো জীবনের চরম ঝুঁকি নেওয়ার নামান্তর, সেখানে অকুতোভয় এক নেতার উত্থান ঘটেছে। তিনি ডাঃ কে এম বাবর।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। আর এই শপথ গ্রহণের প্রাক্কালে গোপালগঞ্জের ২৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার সাধারণ মানুষের পাশাপাশি এখন জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারাও এক সুরে দাবি তুলেছেন— তৃণমূলের প্রিয় মুখ ডাঃ কে এম বাবরকে দেশের আগামী ‘স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী’ হিসেবে দেখতে চাই।
গোপালগঞ্জের রাজনীতিতে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রভাব অত্যন্ত গভীর। দীর্ঘ বছর পর তারা এমন একজন সজ্জন ও সৎ নেতৃত্ব খুঁজে পেয়েছেন, যাকে ঘিরে তারা উন্নয়নের স্বপ্ন দেখছেন। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের মতে, ডাঃ কে এম বাবর কেবল একজন বড় রাজনৈতিক নেতাই নন, তিনি একজন দেশপ্রেমিক এবং স্বচ্ছ ভাবমূর্তির মানুষ।
তারা মনে করেন, গোপালগঞ্জের অবহেলিত স্বাস্থ্য খাতের আমূল পরিবর্তন এবং সুশাসন নিশ্চিত করতে ডাঃ কে এম বাবরের মতো একজন সৎ ব্যক্তিকে মন্ত্রিসভায় (প্রতিমন্ত্রী হিসেবে) অন্তর্ভুক্ত করা এখন সময়ের দাবি।
নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণার পরপরই ডাঃ কে এম বাবর প্রমাণ করেছেন তিনি কেন ব্যতিক্রম। শপথ নেওয়ার আগেই তিনি ছুটে গিয়েছেন গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে, নিজে সরেজমিনে গিয়ে খোঁজ নিয়েছেন সাধারণ রোগীদের। কেবল তাই নয়, হিন্দু সম্প্রদায়কে দেওয়া নির্বাচনী ওয়াদা রক্ষা করতে তিনি ছুটে গিয়েছিলেন মতুয়া সম্প্রদায়ের পবিত্র তীর্থস্থান ওড়াকান্দিতে। রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে সকল ধর্মের ও বর্ণের মানুষের কাছে তিনি আজ এক আস্থার প্রতীক।
গোপালগঞ্জ-২ আসনের সাধারণ মানুষ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন। তারা বলছেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রতিকূল পরিবেশে দলের ঝাণ্ডা উঁচিয়ে রাখা এবং তৃণমূলকে সুসংগঠিত করার পুরস্কার হিসেবে ডাঃ বাবরকে উপযুক্ত মূল্যায়ন করা হোক।
একজন দক্ষ ও জনবান্ধব চিকিৎসক হিসেবে তাঁকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হলে তা কেবল গোপালগঞ্জের মানুষের জন্য নয়, বরং পুরো বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।