
উপজেলা সদরে স্বাস্থ্য প্রশাসন কর্তৃপক্ষের নাকের ডগায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে সিজার অপারেশন সহ সব ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষা কার্যক্রম। জনবল সংকট সহ নেই কোন প্রসূতী মা ও নবজাতকের অবস্থান কক্ষের ব্যবস্থা। দর্শনার্থীদের বসার স্থান, অভ্যর্থনা কক্ষ। হাসপাতাল পরিসেবায় যতটুকু অবকাঠামো থাকার কথা তা শুধু কাগজ কলমেই আছে। সেবার নামে শুধুই অসেবা ও টাকা কামানোর ধান্ধা। তারপরও কর্তৃপক্ষের নেক নজরে থাকায় রেজিঃনং এইচ এসএম ৪৬১৮২ ও এইচএসএম৭৮৪৪৩ চলছে রিভারভিউ টাওয়ারে পরিচালিত রেনেসাঁ ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতাল, ক্লিনিক কাম ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নবায়ন।
জানা গেছে কটিয়াদী উপজেলা সদরের হাসপাতাল রোডে আব্দুল্লাহ জুবায়েদ সুমন এর রিভারভিউ টাওয়ারে মো. সাদেক নামের এক ব্যাক্তি আরও কিছু দাতা সদস্যের আর্থিক অংশীদারিত্বে হাসপাতাল টি শুরু করলেও উপুর্যুপরি লাভ ও লোভের বশবর্তী হয়ে সুমন কৌশলে রিভারভিউ টাওয়ারের মালিক থেকে রেনেসাঁ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকে পরিণত হয়ে উঠেন।
কিন্তু হাসপাতাল কাম ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর নব্য মালিক সুমন ক্লিনিক সংশ্লিষ্ট সার্ভিস প্রোভাইডার সহ অংশীদারদের পাওনা পরিশোধ না করায় ভ্যাট বিধি লংঘন করে মেয়াদউত্তীর্ণ ভবনে হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধের জন্য ডিজি হেলথ্ বরাবরে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট ভুক্তভোগীরা।
ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স কিশোরগঞ্জ কর্তৃপক্ষ, সিভিলসার্জন, ডিএনসি কিশোরগঞ্জ ও পরিচালক হাসপাতাল অধিশাখা কে কনভিন্স করে ঝুঁকি পূর্ণ প্রতিষ্ঠানটির নবায়ন নিয়ে চলছেন বলে জানা গেছে। স্বাস্থ্য বিভাগীয় জনৈক বড়ভাই খ্যাত প্রভাবশালী কোন ব্যাক্তির ফোনে স্পিডে চলে যায় নথির আদেশ।
অপরদিকে মৃত হাজী গিয়াসউদ্দিন এর ছেলে আব্দুল্লাহ জুবায়েদ সুমন (স্বঘোষিত এমডির) বিরুদ্ধে মাসুদ পারভেজ মল্লিক নামের এক ব্যক্তির পাওনা ত্রিশ লক্ষ টাকা আদায়ের অভিযোগ জানাতে এ প্রতিনিধি র স্বরণাপন্ন হয়েছেন। অনুপযুক্ত পরিবেশে অনুমোদন ও নবায়ন পাওয়ার বিষয়টি বিভাগীয় তদন্ত হওয়া জরুরি মনে করছেন ভূক্তভোগীরা।