
নীলফামারীর ডোমারে হাড় কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মতো পড়ছে কুয়াশাপাত। রবিবার ও সোমবার ভোররাত থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত চলে এ অবস্থা। সেই সাথে হাড় কাঁপানো শীতে কাহিল হয়ে পড়েছে ডোমার উপজেলার মানুষের জনজীবন। এদিকে গত তিন দিন ধরে ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডার সাথে শুরু হয়েছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ। অপরদিকে দুদিন থেকে দেখা মেলেনি সূর্যের।
এ অবস্থায় দরিদ্র,ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষজন পড়েছে চরম দুর্ভোগে। স্বাভাবিক কাজকর্মে নেমে এসেছে স্থবিরতা। তীব্র শীতের কারণে নিম্ন আয়ের মানুষজন কাজে যেতে না পারায় পরিবার পরিজন নিয়ে নিদারুন কষ্টের মধ্যে দিনাতিপাত করছেন। গরম কাপড়ের অভাবে অনেকে দিনভর খড়কুটে জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করছেন।
ডোমার উপজেলার কৃষি শ্রমিক আব্দুল জলিল জানান, ভোররাত থেকে বৃষ্টির মতো কুয়াশা পড়ছে। কাজে গেলে শরীল ভিজে যাচ্ছে কুয়াশায়। ঘন কুয়াশার দাপটে বোরো বীজতলা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
হাড় কাঁপানো শীত আর হিমেল বাতাসে মানুষজনের পাশাপাশি জবুথুব হয়ে পড়েছে গবাদি পশু। চট গায়ে দিয়ে দিনভর তাদের রাখা হচ্ছে গোয়াল ঘরে ।
ডিমলা কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার কর্মকর্তা আব্দুস সবুর মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি জানান, সোমবার তাপমাত্রার রেকর্ড করা হয়েছে ১৩.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আদ্রতা রয়েছে ৯৬%। পাশাপাশি তিনি জানান, এ রকম আবহাওয়া আগামী ১ তারিখ পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।