বাংলাদেশ

দুই জেলায় সংঘর্ষে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীসহ আহত ৪০

  প্রতিনিধি ৯ নভেম্বর ২০২৫ , ৮:৩০:১৫ প্রিন্ট সংস্করণ

দুই জেলায় সংঘর্ষে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীসহ আহত ৪০
ছবি : সংগৃহীত

দেশের ২৩৭টি আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন এলাকায় এই ইস্যুতে সংঘাত চলছে। এবার ময়মনসিংহের গৌরীপুর এবং কুমিল্লার লাকসামে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে মনোনয়নপ্রত্যাশীসহ অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন।

রোববার (৯ নভেম্বর) সকালে ও সন্ধ্যায় দুই জেলায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ময়মনসিংহে সংঘর্ষে ২০ জন এবং কুমিল্লায় ২০ জন আহত হন।

আমাদের ময়মনসিংহ প্রতিনিধি জানান, সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে দলটির দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় মঞ্চসহ বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

জানা যায়, ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এম. ইকবাল হোসেন দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। এতে ক্ষুব্ধ মনোনয়নবঞ্চিত আহমেদ তায়েবুর রহমান হিরনের সমর্থকরা রোববার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ইকবাল হোসেনের সমাবেশে যোগ দিতে আসা নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালান। এতে বিক্ষুব্ধ ইকবালের সমর্থকরা পাল্টা হামলা চালিয়ে হিরনের মহিলা সমাবেশের মঞ্চে ব্যাপক ভাঙচুর করেন। এরপর দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

গৌরীপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেবাশীষ কর্মকার জানান, সংঘর্ষ থামলেও উত্তেজনা এখনো চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মাঠে কাজ করছে।

এদিকে সকালে কুমিল্লার লাকসামে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে কুমিল্লার সাবেক এমপি আনোয়ারুল আজিমের মেয়ে মনোনয়নপ্রত্যাশী সামিরা আজিম দোলাসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের সাবেক এমপি আনোয়ারুল আজিমের মেয়ে সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন বঞ্চিত সামিরা আজিম দোলা পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ছনগাঁও এলাকায় গণসংযোগে যান। এ সময় একই আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থী দলটির কেন্দ্রীয় শিল্প বিষয়ক সম্পদ আবুল কালামের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এক পর্যায়ে দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়।

সংঘর্ষের সময় একটি মাইক্রোবাস ও বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে লাকসাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আরও খবর

Sponsered content