
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় দিল্লিতে পৌঁছাবেন। আগমনেই তার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নৈশভোজের আয়োজন রয়েছে, যেখানে দুই নেতা অনানুষ্ঠানিক পরিবেশে খোলামেলা আলোচনা করবেন। উল্লেখ্য, গত বছর জুলাইয়ে মোদির রাশিয়া সফরের সময় পুতিনও তাকে একইভাবে স্বাগত জানিয়েছিলেন।
আগামীকাল শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হবে আনুষ্ঠানিক শীর্ষ বৈঠক। এর আগে পুতিনকে দেওয়া হবে রাষ্ট্রীয় অভ্যর্থনা। তিনি রাজঘাটে গিয়ে মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এরপর দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে শুরু হবে ২৩তম ভারত–রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন। এবারের বৈঠকে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভারত ২০১৮ সালে রাশিয়ার সঙ্গে পাঁচটি এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম কেনার চুক্তি করেছিল, যার তিনটি ইতোমধ্যে পেয়েছে। বাকি দুইটি দ্রুত সরবরাহের অনুরোধ ভারত জানাতে পারে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছেন, পঞ্চম প্রজন্মের এসইউ-৫৭ যুদ্ধবিমান ক্রয় নিয়েও আলোচনা হতে পারে। ভারত বর্তমানে এই বিমানসহ রাফাল, এফ-২১, এফ/এ–১৮ ও ইউরোফাইটার টাইফুনকে বিবেচনায় রেখেছে।
এ ছাড়া তেল আমদানির বিষয়টিও আলোচনার অন্যতম প্রধান অংশ হবে। পেসকভ জানান, স্বল্প সময়ের জন্য রাশিয়ার তেল রফতানি কিছুটা কমতে পারে, তবে দেশটি চায় ভারত আগের মতোই তেল আমদানি অব্যাহত রাখুক। পাশাপাশি ইউক্রেন যুদ্ধ ও সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনাও রয়েছে।