
বগুড়ার ধুনটে আদালতে দেওয়া মুচলেকার শর্ত ভঙ্গ করে অভৈধভাবে শ্যামলী খাতুন নামে এক স্কুলশিক্ষিকার প্রায় সাড়ে ৫ বিঘা সম্পত্তি দখলের অভিযোগ উঠেছে ভাতিজার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই শিক্ষিকা বৃহস্পতিবার থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। শ্যামলী খাতুন উপজেলার দিঘলকান্দি গ্রামের আনোয়ারুল ইসলামের স্ত্রী ও বাকশাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শ্যামলী খাতুন ধুনট শহরের বাসায় এবং তার স্বামী আনোয়ারুল ইসলাম চাকরীর সুবাদে নারায়নগঞ্জ শহরে অবস্থান করেন। তবে পারিবারির কাজে মাঝে মধ্যে তারা দিঘলকান্দি গ্রামের বাড়িতে যাতায়াত করেন। গ্রামের বাড়িতে নিয়মিত না থাকার সুযোগে আনোয়ারুল ইসলামের ভাতিজা সোহান ও তার লোকজন প্রায় ৬ মাস আগে শ্যামলী খাতুন ও তার স্বামীর বসতবাড়ি ও আবাদি জমি অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা করেন।
এ ঘটনায় শ্যামলী খাতুন বাদি সোহান সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। থানা পুলিশ সোহান ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ফলে সোহান সহ অন্য আসামিরা শ্যামলী ও তার স্বামীর সম্পত্তি দখল করবে না মর্মে ২১ সেপ্টেম্বর আদালতে মুচলেকা দেন। এ অবস্থায় ২৬ ডিসেম্বর সোহান ও তার লোকজন শ্যামলী ও তার স্বামীর প্রায় সাড়ে ৫ বিঘা জমি বেদখল করেছে। এ ঘটনায় শ্যামলী খাতুন বাদি হয়ে সোহান সহ ৪ জনের নামে থানায় ফের লিখিত অভিযোগ করেছেন।
এ বিষয়ে সোহান বলেন, প্রয়াত দাদার অর্থের অংশ না দেওয়া, আমার জায়গায় জোরপূর্বক ঘর উত্তোলন এবং আমাদের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক বার মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করায় ক্ষুব্ধ হয়ে শ্যামলীর পরিবারের সম্পত্তি দখল করা হয়েছে। তবে দখল করা জমির কোন বৈধ কাগজপত্র নেই।
অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা ধুনট থানার এএসআই কুলছুমা খাতুন বলেন, শিক্ষিকার অভিযোগ প্রাথমিক তদন্তে সত্যতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ অভিযোগের প্রতিবেদন দ্রুত আদালতে পাঠানো হবে।