দেশজুড়ে

বান্দরবানে এলজিইডি‘র মেলা

  প্রতিনিধি ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ , ৪:১৩:৪২ প্রিন্ট সংস্করণ

বান্দরবানে এলজিইডি‘র মেলা

“সেবা ও উন্নতির দক্ষ রূপকার,উন্নয়নে উদ্ভাবনে স্থানীয় সরকরা” এই প্রতিপাদ্যের আলোকে বান্দরবানে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস উপলক্ষে এলজিইডি বান্দরবান কার্যালয়ে উদ্যোগে জেলার জনসাধারণের কাছে এলজিইডি এর বিগত সময়ের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং বর্তমান চলমান বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জনগনের মাঝে প্রচারের উদ্দেশ্যে মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

১৭ই সেপ্টেম্বর রবিবার সকালে বেলুন উড়িয়ে মেলার উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বান্দরবান কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জিয়াউল ইসলাম মজুমদার।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, বান্দরবান কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়াউল ইসলাম মজুমদার, সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জামাল উদ্দিন, সহকারী প্রকৌশলী বিপ্লব বিশ্বাশ,সহকারী প্রকৌশলী জয় সেন,সহকারী প্রকৌশলী, আসিফ ইদ্রিস,সহকারী প্রকৌশলী, মাহবুব রহমান,সহকারী প্রকৌশলী, অন্তিক দাশ সহ অত্র কার্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা,কর্মচারী বৃন্দ।

এর আগে সকালে বান্দরবান পৌরসভার আয়োজনে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উল্লেখ্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রকৌশল সংস্থা । 

এলজিইডি দেশব্যাপী পল্লি, নগর ও পানি সম্পদ সেক্টরের অবকাঠামো উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণে দায়িত্বপ্রাপ্ত । 

পল্লি অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের সার্বিক আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিতে এ সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

বিংশ শতাব্দীর ষাটের দশকে প্রণীত কুমিল্লা মডেলের অন্তর্গত পল্লীপূর্ত কর্মসূচি ছিল এদেশের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের মূল ভিত্তি । 

পরবর্তীতে সত্তরের দশকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আওতায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং সেল গঠন করা হয়, যা ১৯৮২ সালে উন্নয়ন বাজেটের আওতায় পূর্ত কর্মসূচি উইং-এ রূপান্তরিত হয়। 

১৯৮৪ সালে পূর্ত কর্মসূচি উইং রাজস্ব

বাজেটের আওতায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল ব্যুরো (এলজিইবি) হিসেবে পুনর্গঠন করা হয় । এলজিইবিকে ১৯৯২ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) নামকরণ করে একটি পূর্ণাঙ্গ অধিদপ্তর হিসেবে উন্নীত করা হয়।