
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গনভোট ২০২৫ এ অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেয়ার আজ ছিলো শেষ দিন।মনোনয়ন পত্র জমা দেয়া নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মনোনীত প্রার্থী ও কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ছিলো বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা।
বান্দরবান ৩০০ নং সংসদীয় আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামি বাংলাদেশ, এনসিপি,জাতীয় পার্টি এবং ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ এই পাঁচটি রাজনৈতিক দলের ৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
সোমবার(২৯শে ডিসেম্বর) মনোনয়ন পত্র জমা দেয়ার শেষদিন হওয়ায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কার্যালয় ছিলো উৎসব মূখর।
সকাল থেকে পর্যায়ক্রমে রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীরা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলাপ্রশাসক শামীম আরা রিনি’র কাছে তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন।
যারা মনোনয়নপত্র জমা দিলেন – বান্দরবান ৩০০নং আসনে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জেলা বিএনপির আহ্বায় সাচিং প্রু জেরী জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ সহ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এসে মনোনয়ন পত্র জমা দেন।
জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী, জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির, এডভোকেট মুহাম্মদ আবুল কালাম দলীয় নেতৃবৃন্দের নিয়ে মনোনয়ন পত্র জমা দেন, এছাড়া পর্যায়ক্রমে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মো. আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় পার্টি (কাদের) কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, আবু জাফর মোহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ এবং এনসিপি চট্টগ্রাম বিভাগীয় তত্বাবধায়ক আবু সাঈদ মোঃ শাহা সুজাউদ্দিন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলাপ্রশাসক শামীম আরা রিনি’র কাছে তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন।
এসময় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবু তালেব, জেলা নির্বাচন অফিসার মো. কামরুল আলমসহ রাজনৈতিক দলগুলোর সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত বান্দরবান সংসদীয় আসনটিতে ভোটার বৈচিত্র্য আছে যা অন্য কোন জেলায় নেই। এখানে বাঙালী সহ ১২টি জাতিগোষ্ঠীর বিভিন্ন ভাষাভাষী জনসাধারণের বসবাস বান্দরবানে ।
নির্বাচন কমিশনের হালনাগাদকৃত ভোটার তথ্য অনুযায়ী জেলায় এবার ৭হাজার ৪৬৯জন নতুন ভোটার হয়েছেন,যারা ভোটের মাঠে প্রার্থীর জয় পরাজয় নির্নয়ে বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন ভেটাররা।
জেলার ৭ টি উপজেলা ও ২টি পৌরসভায় মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৮৬টি।তথ্য অনুযায়ী জেলায় মোট ভোটার ৩ লাখ ১৫ হাজার ৪২২জন,এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬১ হাজার ৭৭৫ জন এবং নারী ভোটার ১ লাখ ৫৩ হাজার ৬৪৭জন।