
কি হবে সেই অবুঝ শিশু আবদুল্লাহর, কি হবে তার ভবিষ্যৎ।
১১ মাস বয়সী আব্দুল্লাহর লালন পালনের দায়িত্ব কেউ নিতে চাচ্ছে না। কি অপরাধে এমনটা হল। বাহ্যিক দৃষ্টিতে সামান্য প্রতিবন্ধী নজরে আসলেও বয়স বাড়ার সাথে সাথে ঠিক হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
এমনই এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে উপজেলার বুধন্তী ইউনিয়নের ফতেহপুর গ্রামে। শিশুটি ৮০ বছর বয়সি আব্দুল জিলাল এর দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তান।
সন্তান জন্মদানের কয়েক মাস পর পাষানী মাতা আব্দুল্লাহকে বৃদ্ধা বাবার কোলে রেখে চলে যান। কয়েকজন হৃদয়বান লালন পালনের ভার নিয়েও পুনরায় ফেরত দিলেন। নির্বাক আব্দুল্লাহ এখন প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরে অবশেষে ঠাই হল সুরক্ষাবঞ্চিত পুনর্বাসন কেন্দ্রে। ৬০ বছর বয়সী ভাবী আছিয়া বেগম লালন পালনে অপারগতায় দেবর আব্দুল্লাহকে কখনো সমাজসেবা কখনো ইউএনও আবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঘুরছেন নিজে বোঝা মুক্ত হতে। কেনইবা এই বৃদ্ধার এই বয়সে বিবাহের প্রয়োজন হল। শুধুইকি নিষ্পাপ আব্দুল্লাহকে শাস্তি দেওয়ার জন্য।
এ বিষয়ে বিজয়নগর উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকেশ পাল জানান, গত সপ্তাহ শিশু আব্দুল্লাহকে নিয়ে আমাদের কাছে আসার পর মানবিক দিক বিবেচনা করে, ইউএনও স্যার এর পরামর্শে ও সহযোগিতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সমাজসেবা অধিদপ্তর সুরক্ষাবঞ্চিত পুনর্বাসন কেন্দ্রে আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বর্তমানে শিশুটি বিপদ মুক্ত আছে।