
ছোট্ট পুতুল থেকে আজ দেশ ও জাতির সংকটময় মুহূর্তে যিনি দেশের মানুষ ও সাধারণ কর্মীদের অনুপ্রেরণা ও মুক্তির জন্যে আপসহীন হয়ে উঠেছিলেন। তিনি ক্রীড়া উন্নয়নেও অনেক অবদান রেখে গেছেন। তাঁর সময়ে দেশের ক্রিকেট অঙ্গনেও উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছিল।
দেশের মানুষ অন্যায় ও অনৈতিক বা ক্ষমতার দাম্ভিকতার কাছে তিনি কখনো মাথা নত করেননি আল্লাহ তালার বান্দাদের ওপর জুলুম নিপীড়নে ছিলেন প্রতিবাদী। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়া জ্ঞান থাকা পর্যম্ত আপন স্বজনদের বাইরে সাধারণ মুসলিম হিন্দু সকল জাতির কল্যাণ আর দেশের ও দেশীয় খেলাধুলা এবং ফুটবল খেলায় এশিয়ায় প্রথম সারিতে উঠে এসেছিল! সমাজ উন্নয়নে ছিলেন আপহহীন। দেশ ও জাতির কল্যাণ ও মুসলিম বিশ্ব আর দেশের প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে তিনি আপসহীন ছিলেন। তিনি সমাজে জুলুম-নিপিড়ন আয়নার মতো মানুষের সামনে তুলে ধরতেন। দায়িত্বশীল নেত্রী হিসেবে ও সাংবাদিকদের কল্যাণে তিনি অনেক কাজ করেছেন। তিনি বলতেন, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা করুন । সত্য প্রকাশে, বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখবেন, সরকারের সমালোচনা করবেন! শালিনতার সাথে। দেশকে ভুল পথে চলতে দেবেন না। সমালোচনায় জাতিকে সঠিক পথ দেখাবেন !
ইসলামী সমাজ গঠনে খালেদা জিয়া নিরলস কাজ করেছেন। আল্লাহ মরহুমাকে জান্নাতের মেহমান হিসাবে কবুল করুন। খালেদা জিয়া ক্রীড়া উন্নয়নে ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। তাঁর পুত্র আরাফাত রহমান ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক হিসেবে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছেন, মায়ের অনুপ্রেরণায়।
তাঁর মৃত্যুতে আমরাও শোকাহত। জাতি তিনদিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করছে। মরহুমার অকাল প্রয়াণে তাঁর অনুসারীরাসহ পুরো জাতি সমবেদনা প্রকাশ করছে।