
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসকে সমর্থন করার অভিযোগে মুসলিম ব্রাদারহুডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি তার প্রশাসনিক সহযোগীদের মিসর, লেবানন ও জর্ডানে সংগঠনটির বিভিন্ন শাখাকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণার প্রক্রিয়া শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
গত সোমবার (২৪ নভেম্বর) তিনি এই নির্দেশ জারি করেন। সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলবিরোধী শক্তিগুলোর ওপর আরও কঠোর হতে চাইছে ওয়াশিংটন—এই পদক্ষেপ সেই নীতিরই অংশ। ট্রাম্পের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জর্ডানের মুসলিম ব্রাদারহুড নেতারা হামাস ও লেবাননের আল-জামাআ আল-ইসলামিয়াকে ‘বস্তুগত সহায়তা’ দিয়েছেন এবং ইসরাইলের সঙ্গে সংঘাতে হামাস ও হিজবুল্লাহর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। আরও দাবি করা হয়, গাজায় ইসরাইলের সাম্প্রতিক যুদ্ধ চলাকালে একজন মিসরীয় ব্রাদারহুড নেতা যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় সহিংস হামলার আহ্বান জানান। তবে এই অভিযোগে হোয়াইট হাউস নির্দিষ্টভাবে কী বোঝাতে চেয়েছে তা স্পষ্ট নয়। ইতোমধ্যে মিসরে ব্রাদারহুড নিষিদ্ধ, এবং তাদের কার্যক্রম মূলত গোপনেই পরিচালিত হয়। হোয়াইট হাউস জানায়, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মুসলিম ব্রাদারহুডের আন্তঃদেশীয় নেটওয়ার্কের মোকাবেলায় পদক্ষেপ নিচ্ছেন। এই নেটওয়ার্ক মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্বার্থ ও তাদের মিত্রদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও অস্থিতিশীলতা ছড়াতে ভূমিকা রাখছে।”
এই নির্দেশের ফলে মুসলিম ব্রাদারহুডের আরও শাখাকে নিষিদ্ধ তালিকায় যুক্ত করার পথ সুগম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি গোষ্ঠীগুলোকে ‘বৈশ্বিক সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে চিহ্নিত করতে হোয়াইট হাউস চাপও বৃদ্ধি করছে।