
রাঙ্গামাটিতে এলপিজি গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। গ্যাস পেতে পাম্পে সিএনজি অটোরিকশার দীর্ঘ লাইন পড়েছে। তবে ২০০ টাকার বেশি মিলছে না গ্যাস। এতে শহরের একমাত্র গণপরিবহন সিএনজি অটোরিকশার আকস্মিক সংকটে ভোগান্তিতে পড়েছেন অটোরিকশাচালক ও যাত্রীরা। তবে পাম্প কর্তৃপক্ষ বলছেন, ডিপো থেকে প্রয়োজনীয় এলপিজি গ্যাস সরবরাহ না পাওয়ায় এ সংকট তৈরি হয়েছে।
গেল এক সপ্তাহ ধরে এলপিজি গ্যাসের সংকট দেখা দেয়। তবে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল থেকে তীব্র হয়ে ওঠে এ সংকট। এতে গ্যাস পাম্পগুলোতে দেখা দিয়েছে সিএনজির দীর্ঘ লাইন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গ্যাস পাচ্ছেন না অনেক চালক।
আগে শহরের ৩টি পয়েন্টে গ্যাস বিক্রি হলেও বর্তমানে সচল রয়েছে ভেদভেদির একমাত্র মেসার্স মা পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড এলপিজি অটোগ্যাস ফিলিং স্টেশন। এতে সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘ লাইন। ফলে সীমিত হচ্ছে রাস্তায় গাড়ি চলাচল, ব্যাহত হচ্ছে শহরের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
চালকরা বলেন, গ্যাসের জন্য অপেক্ষা করতে করতে অর্ধেক দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আয় কমছে, যাত্রীর চাপ বাড়ছে। এ পরিস্থিতি দীর্ঘ হলে সিএনজি চলাচল কার্যত স্থবির হয়ে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
দুপুরে রাঙামাটি শহরের ভেদভেদি এলাকায় মেসার্স মা পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড এলপিজি অটোগ্যাস ফিলিং স্টেশন গিয়ে দেখা মিলে গ্যাসের অপেক্ষায় সিএনজি অটোরিকশার দীর্ঘ লাইন। সেখানে চাহিদার বিপরীতে প্রতিটি গাড়িতে কেবল ২০০ টাকার গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। এসময় সিএনজি চালকদের সাথে পাম্প কর্তৃপক্ষ বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ছেন।
এক সিএনজি চালক বলেন, ‘কোথাও গ্যাস পাচ্ছি না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। যাত্রী নেয়াও বন্ধ হয়ে গেছে।’
মেসার্স মা পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড এলপিজি অটোগ্যাস ফিলিং স্টেশনের কর্মকর্তা সুমন ঘোষ বলেন, ‘ডিপো থেকে প্রয়োজনীয় এলপিজি গ্যাস সরবরাহ না পাওয়ায় এ সংকট তৈরি হয়েছে। সরবরাহ বাড়লে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে। তবে মজুদ থাকা পর্যন্ত বেশি সংখ্যক গাড়িকে সচল রাখতে আমরা ২০০ টাকার বেশি গ্যাস দিচ্ছি না।’