
লক্ষীপুর প্রতিনিধি : লক্ষীপুরে প্রথম করোনা জয় করে সুস্থ হয়েছেন ১ জন। তাকে ঢাকার কুয়েত মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছিলো। ২ এপ্রিল শনিবার তার সুস্থতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবদুল মোমিন।
ইউনুছ মাঝি করোনা উপসর্গ নিয়ে নারায়নগঞ্জ থেকে তাবলিগ জামায়াত শেষে তাঁর গ্রামের বাড়িতে আসেন। পরে তার নমুনা পরীক্ষা করা হলে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। ইউএনও আবদুল মোমিন বলেন, নারায়নগঞ্জ থেকে আসার পর ইউনুছ মাঝির করোনা উপসর্গ দেখা দেয়। খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ তাঁর নমুনা সংগ্রহ করে চট্রগ্রামের বিআইটিআইডিতে পাঠায়। ১২ এপ্রিল নমুনা পরীক্ষায় তাঁর করোনা পজিটিভ আসে। পরে ঢাকার কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। অবশেষে সুস্থ হয়ে ১৭ দিন পর তিনি বাড়ি ফিরেন।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবারের তথ্য অনুযায়ী জেলায় ৪৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এদের মধ্যে একজন ঢাকা থেকে লক্ষীপুরে পালিয়ে আসে। আরেকজন শনাক্ত হওয়ার অগেই মারা যান। আর একজন সুস্থ হয়েছেন। ফলে জেলায় এখন আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৪১ জন। এর মধ্যে একজনকে কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বাকি ২৭ জন জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশন কেন্দ্র এবং ১১ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রেখে চিকিৎস্যা প্রদান করা হচ্ছে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ আরও জানায়, জেলায় করোনা আক্রান্তরা অনেকটাই ভালো আছে। তেমন কোন শারীরিক সমস্যা নেই তাদের। এছাড়া ২৪ জন করোনা পজিটিভ রোগীর নমুনা দ্বিতীয় দফায় সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য চট্রগ্রামের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। পর পর দুইটি টেষ্ট নেগেটিভ (নেতিবাচক) হলে তাদেরকে করোনা মুক্ত হিসেবে ঘোষণা করা হবে।