
চলতি বছরের ৩৪তম অর্থনৈতিক বিষয়ক কমিটির সভায় নীতিগতভাবে দুই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করা, যা সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) পদ্ধতির মাধ্যমে ২০২৬ সালের জন্য করা হবে।
আজ বুধবার অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের কমিটি এই দুটি প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে। অন্য একটি প্রস্তাব হলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা’ প্রকল্পের উপকরণ সংগ্রহ। চলতি বছরের ৩৪তম অর্থনৈতিক বিষয়ক কমিটির সভায় এসব সুপারিশ করা হয়। সভায় ভার্চুয়ালি সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
প্রথম প্রস্তাবে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত জিটুজি চুক্তির মাধ্যমে পরিশোধিত জ্বালানি তেল সরাসরি ক্রয়ের জন্য নীতিগত অনুমোদন চেয়েছিল। কমিটি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে নীতিগত অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে। দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা মেটাতে এবং স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
দ্বিতীয় প্রস্তাবটি এসেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ‘বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা’ প্রকল্পের জন্য এক কোটি ই-পাসপোর্ট কাঁচামাল সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে জরুরি প্রয়োজনে ৫০ লাখ কাঁচামাল বইয়ে রূপান্তর করা যাবে। এছাড়া ৫৭ লাখ ই-পাসপোর্ট বই ও সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ প্যাকেজ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা হবে।
বিস্তারিত আলোচনার পর, কমিটি এই প্রস্তাবটিও নীতিগত অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে। কমিটি উল্লেখ করেছে, ই-পাসপোর্ট বিতরণ অব্যাহত রাখা এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বাড়াতে এই প্রকল্প কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।