প্রতিনিধি ৩ নভেম্বর ২০২৫ , ১২:৫১:২৭ প্রিন্ট সংস্করণ
নারী ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস গড়েছে ভারত। রোববার নবি মুম্বাইয়ের ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বে ভারতীয় নারী দল দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৫২ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের শিরোপা জয় করেছে। এই জয় শুধু গৌরব নয়, আর্থিক দিক থেকেও রেকর্ড অর্জন করেছে ভারত।
বিশ্বকাপ শুরুর আগে আইসিসি ঘোষণা দিয়েছিল এবারের আসরে রেকর্ড পরিমাণ প্রাইজমানি থাকবে। মোট প্রাইজমানি নির্ধারণ করা হয় ১৩.৮৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৫৩ কোটি টাকা), যা ২০২২ সালের নারী বিশ্বকাপের তুলনায় প্রায় চার গুণ বেশি। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো— এবারের নারী বিশ্বকাপের পুরস্কার অর্থ পুরুষদের ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপকেও ছাড়িয়ে গেছে; সেবার মোট প্রাইজমানি ছিল ১০ মিলিয়ন ডলার। চ্যাম্পিয়ন ভারত পেয়েছে ৪৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৫৫ কোটি। তুলনামূলকভাবে, ২০২২ সালে চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া পেয়েছিল মাত্র ১.৩২ মিলিয়ন ডলার— অর্থাৎ ভারতের প্রাইজমানি বেড়েছে প্রায় ২৩৯ শতাংশ। ২০২৩ সালের পুরুষ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া চ্যাম্পিয়ন হয়ে পেয়েছিল ৪ মিলিয়ন ডলার, যা এবারের নারী বিশ্বকাপকে ছাড়িয়ে যায়নি। ফাইনালে পরাজিত রানার্স-আপ দক্ষিণ আফ্রিকা পেয়েছে চ্যাম্পিয়নের অর্ধেক, অর্থাৎ ২২ লাখ ৪০ হাজার ডলার (প্রায় ২৫ কোটি টাকা)। সেমিফাইনালে বাদ পড়া দুই দল পেয়েছে ১.১২ মিলিয়ন ডলার করে। পঞ্চম ও ষষ্ঠ স্থানাধিকারী দল পেয়েছে ৭ লাখ ডলার করে, আর সপ্তম ও অষ্টম স্থানাধিকারী দল ২ লাখ ৮০ হাজার ডলার করে। এছাড়া প্রতিটি দল অংশগ্রহণ ফি হিসেবে পেয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার, সঙ্গে গ্রুপপর্বে প্রতিটি জয় বাবদ অতিরিক্ত ৩৪ হাজার ৩১৪ ডলার।
বাংলাদেশ টুর্নামেন্টে তিন পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম স্থানে থেকে শেষ করেছে। অবস্থান অনুযায়ী বাংলাদেশ পাচ্ছে ২ লাখ ৮০ হাজার ডলার, আর পাকিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র জয় থেকে আসছে অতিরিক্ত ৩৪ হাজার ৩১৪ ডলার। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ নারী দল এবারের বিশ্বকাপ থেকে পাচ্ছে মোট ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৩১৪ ডলার— যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬ কোটি ৯০ লাখ টাকা।
















