
পটুয়াখালী প্রতিনিধি: পটুয়াখালীতে পারিবারিক ও সম্পত্তি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী।
সোমবার (৪ মে) বেলা ১১টায় পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন করেন পটুয়াখালী জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জহিরুল ইসলাম লিটন।
লিখিত বক্তব্যে লিটন দাবি করেন, গত ৩ মে ‘খবর পটুয়াখালী’ ও ‘আমাদের পটুয়াখালী’ নামের দুটি ফেসবুক পেইজে তাকে ও তার পরিবারকে জড়িয়ে ‘প্রতিবেশীর দরজা খুলে নেওয়া’ এবং ‘টাকা লুটের’ যে অভিযোগ প্রকাশ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
তিনি বলেন, মূলত তার চাচা মজিবর রহমান ও ভায়রা মোঃ ফারুক হোসেনের মধ্যে সিঁড়ি ও জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধকে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, গত বছরের ২৫ অক্টোবর বিবাদী ফারুক হোসেন ওয়েল্ডিং মেশিন দিয়ে তার চাচার ঘরের প্রবেশদ্বার ঝালাই করে বন্ধ করে দেন। ফলে প্রায় ছয় মাস ধরে পরিবারটি নিজ ঘরে প্রবেশ করতে পারেনি।
এ ঘটনায় থানায় জিডি (নং-২২, তারিখ: ০১/০৫/২০২৬) দায়ের এবং আদালতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়া পৌর ভূমি অফিসের তদন্ত প্রতিবেদনেও উল্লেখ করা হয়েছে, যৌথ অর্থায়নে নির্মিত সিঁড়ির উত্তর অংশ বন্ধ করে দেওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবার দীর্ঘদিন ভোগান্তিতে রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিটনের চাচী হাফেজা বেগম বলেন, “বিবাদীরা জোরপূর্বক আমাদের যাতায়াতের পথ বন্ধ করে রেখেছিল। দীর্ঘ অপেক্ষার পর আমরা আমাদের বৈধ দরজা উন্মুক্ত করেছি। কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহল অর্থের বিনিময়ে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে লিটনের বিরুদ্ধে মিথ্যা ভিডিও ও চুরির অপবাদ ছড়াচ্ছে।”
লিটন আরও বলেন, এসব মিথ্যা প্রচারণার ফলে তার রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ফেসবুক পেইজগুলো থেকে মিথ্যা সংবাদ ও ভিডিও অপসারণের দাবি জানান। অন্যথায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও মানহানির মামলা দায়েরের হুঁশিয়ারি দেন।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।