
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর স্বস্তি পেলেন চান্দুরা ইউনিয়নে ভাটিকালিসীমার জনসাধারণ। দীর্ঘদিন যাবত বর্ষার মৌসুমে নৌকায় এবং পানি সাঁতরিয়ে হাটবাজার, স্কুল-কলেজসহ প্রয়োজনীয় স্থানে আসা যাওয়া করতে হতো। সেই দুর্ভোগের নিষ্পত্তি করলেন চান্দুরা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার সাথী রানী দাস।
ভাটিকালিসীমার বাহার মিয়ার বাড়ি হইতে হারুন আলীর বাড়ি পর্যন্ত যাহার সংযুক্তি ঢাকা সিলেট হাইওয়ে রোডে। এখানে বসবাসকারী জনসাধারণ বাহিরে আসতে হলে এই রাস্তাটি ব্যবহৃত হতো। রাস্তাটি কৃষি মাঠের সাথে সমতল থাকার কারণে বর্ষার মৌসুমে পানিতে তলিয়ে যেত।
সাথী রানী দাস, তার দায়িত্বের অংশ হিসেবে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসে নিয়মিত যোগাযোগ করে কাবিখার প্রকল্প থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে চলতি মাসে নভেম্বরে তা বাস্তবায়িত করেন। যদিও প্রকল্পটি ছিল আড়াই মিটার প্রস্থে ও আড়াই ফিট উচ্চতায়, তিনি ছয় ফিট আর অর্ধাংশ চার ফিট উচ্চতায় বাস্তবায়িত করেছেন, যাহা বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে সম্পন্ন করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপকারভোগী এলাকার জনসাধারণ জানান, এই রাস্তার জন্য আমরা অনেক কষ্টে ছিলাম, বাচ্চারা বর্ষার মৌসুমে স্কুল-কলেজে যেতে পারত না। বর্তমানে মেম্বার সাহেবের উদ্যোগে আমরা নিঃশ্বাসে স্বস্তি পেলাম। উনার বরাদ্ধে যতটুকু ছিল উনি চেষ্টা করে আমাদের রাস্তাটি করে দিয়েছেন। আমরা তার প্রতি কৃতজ্ঞ।
এ বিষয়ে সাথি রানী দাস জানান, আমি জনগণের সেবক। তারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। তাদের সুখ দুখ দেখার দায়িত্ব আমার আছে। দায়িত্বের অংশ হিসেবে আমি চেষ্টা করেছি তাদের সমস্যা কিছুটা সমাধান করার জন্য। যতটুকু বরাদ্দ ছিল অ্যাভারেজ করে মাটির পরিমাণ ও উচ্চতা বেশি করে ব্যবহারে উপযোগী করে দিয়েছি।