
রাঙামাটি প্রতিনিধি: রাঙামাটিতে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চিতে নবনির্মিত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ছয়তলা ভবনের জেনারেল হাসপাতাল উদ্বোধন করা হয়েছে।
রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালকে ১০০ থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করার প্রকল্পের আওতায় ৪৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ছয়তলা নতুন ভবনটি ২০২৪ সালের জুন মাসে কাজ শেষ হলেও জনবল সংকটের কারণে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা যায়নি। নানান জটিলতা কাটিয়ে প্রধান অথিতি হিসেবে ভবনের উদ্বোধন করেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও গণপূর্ত বিভাগের আয়োজনে সোমবার বেলা ১২ টায় রাঙ্গামাটি সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে জেলা সিভিল সার্জন ডা: নূয়েন খীসার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী সভায় বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান।
এছাড়াও রাঙ্গামাটি সদর জোন কমান্ডার লে: কর্নেল মো: একরামুল রাহাত, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার, রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক প্রীতি প্রসূন বড়ুয়া, জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোছাইন,গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শর্মী চাকমা, জেনারেল হাসাপাতালে আবাসিক চিকিৎসক ডা: শওকত আকবর সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা বক্তব্য রাখেন।
এসময় পার্বত্য মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে যেসব সমস্যা রয়েছে তা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হবে। শুধু জেলা সদর নয় পাহাড়ের প্রত্যন্ত এলাকার হাসপাতালগুলো আধুনিকায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হবে।
তিনি বলেন, ইতিমধ্যে এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে আমার কথা হয়েছে। আশাকরছি অতিদ্রুতই স্বাস্থ্যখাতে বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করা হবে।
আলোচনা সভা শেষে পার্বত্য মন্ত্রী ফলক উন্মোচন করে নব নির্মিত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতাল ভবনের উদ্বোধন করেন এবং নব নির্মিত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতাল ভবনের বিভিন্ন কক্ষ পরিদর্শন করেন।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, নতুন হাসপাতাল ভবন চালু হলে রাঙামাটির স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে এবং পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ দ্রুত, সহজ ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।
উল্লেখ্য: আইসিইউ, সিসিইউ ও ডায়ালাইসিস ইউনিট চালু এবং শয্যা বাড়াতে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি ১১ তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। তৎকালীন সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার এ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও গণপূর্ত অধিদপ্তর। প্রশাসনিকসহ নানান জটিলতা কাটিয়ে আজ প্রধান অথিতি হিসেবে ভবনের উদ্বোধন করেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান।