
উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: ২৭ কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে জামানত হারিয়েছেন ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জন প্রার্থী। নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী যদি প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের ন্যূনতম ১২.৫ শতাংশ বা এক-অষ্টমাংশ ভোট না পান, তবে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সে অনুযায়ী ন্যূনতম ভোট না পাওয়ায় ৩জন প্রার্থীর জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হতে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ স্বাক্ষরিত চূড়ান্ত ফলাফল বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া যায়। জামানত বাজেয়াপ্ত প্রার্থীরা হলেন, আব্দুস সোবহান (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল) ২ হাজার ১১২ ভোট, অ্যাডভোকেট এসএম নুরে এরশাদ সিদ্দিকী (গণঅধিকার পরিষদ, ট্রাক) ৫৯৯ ভোট এবং অ্যাডভোকেট ড. সাফিউর রহমান (স্বতন্ত্র, হাঁস) ২৩৯ ভোট পান।
ফলাফলে দেখা গেছে, ২৭ কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৪৭০ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৮৩ হাজার ৬৪ জন এবং নারী ১ লাখ ৮৫ হাজার ৪০৬ জন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে ১১ দলীয় জোটের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৩০ ভোট পেয়ে জয়ী হন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী তাসভীর-উল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৩৫২ ভোট। বেসরকারিভাবে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী ২৮ হাজার ৫৭৮ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। এদিকে পোস্টাল ভোট গণনাকেন্দ্রসহ মোট ১৪১ ভোটকেন্দ্রে ৬৯৭টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ২৭ হাজার ৯৩৫ জন।
বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ৪ হাজার ১২৫টি। মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ২৩ হাজার ৮১০ টি। প্রদত্ত ভোটের হার ৬১.৮৬ শতাংশ। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, জামানত ফিরে পেতে প্রার্থীদের প্রয়োজন ছিল প্রায় ২৭ হাজার ৯৭৬ ভোট। এ ৩জন প্রার্থীর ওই পরিমাণ ভোট পাননি।