
চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, ইবাদত ও পবিত্র কুরআন মাজিদের প্রতি গভীর মনোযোগী হওয়ার এক অনন্য সময়। এই মাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো তারাবির নামাজ। যেখানে পবিত্র কুরআন মাজিদ তেলাওয়াতের মাধ্যমে মুসল্লিরা আল্লাহর রহমত ও বরকত লাভের আশায় রাত কাটান।
আর এই পবিত্র দায়িত্ব পালনের মূল কারিগর হলেন হাফেজে কুরআনগণ। যারা পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্যের মাধ্যমে মুসলমানদের জন্য এক অপূর্ব ইবাদতের পরিবেশ তৈরি করেন।
দোহাজারী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডস্থ পশ্চিম রায়জোয়ারা হযরত মোহাম্মদ আলী ফকির (রহ.) জামে মসজিদে এই বছর রমজানে পবিত্র কুরআন মাজিদের সুমধুর বাণী তেলাওয়াতের মাধ্যমে বিশ রমজান পর্যন্ত তারাবী নামাজ পড়িয়েছেন হাফেজ আবুল হাসান কায়েস ও হাফেজ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ ছিদ্দিক রেজা।
গত মঙ্গলবার রাতে তারাবী নামাজ শেষে পবিত্র কুরআন মাজিদের ধারকদের প্রতি আদব প্রদর্শনের অংশ হিসেবে এবং সমাজে কুরআনের চর্চা বৃদ্ধিতে সহায়তার জন্য তারাবী সম্পন্নকারী এই হাফেজদ্বয়কে মসজিদ পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে উৎসাহমূলক সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. শাহ্ আলম রুবেল, সাধারণ সম্পাদক আব্বাস উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, অর্থ সম্পাদক জামাল উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক এমরান হোসেন টিটু, সদস্য আলী আকবর, ইসমাইল, ইব্রাহিম, আজম খান, সাজ্জাদ, মফজল প্রমূখ।
সম্মাননা প্রদানকালে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. শাহ্ আলম রুবেল বলেন, “রমজান মাসে খতমে তারাবী সম্পন্নকারী হাফেজদের সম্মাননা ও হাদিয়া দেওয়া সওয়াবের কাজ। পবিত্র কোরআনের ধারক-বাহক হিসেবে হাফেজরা সম্মানিত এবং রমজানে কষ্ট করে কোরআন খতমের পর তাদের যথাযথ মর্যাদা দেওয়া উচিত। এর মাধ্যমে সমাজের মানুষের পরকালীন পাথেয় অর্জন হয় এবং হাফেজদের কাজের স্বীকৃতি মেলে।”