
খুলনা ব্যুরো: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ২০৯ টি আসনে জয়ের মধ্যদিয়ে সরকার গঠনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠাতা অর্জন করলেও খুলনা বিভাগে খুব একটা ভাল ফলাফল করতে পারেনি। বিভাগের ৩৬টি আসনের মধ্যে ২৫টিতেই জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীরা। আর ১১ আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি’র প্রার্থীরা।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ঘোষিত বেসরকারিভাবে ফলাফলের তথ্যানুযায়ী, খুলনার ছয়টি আসনের মধ্যে চারটি বিএনপি ও দুইটি জামায়াত, কুষ্টিয়ার চারটি আসনের মধ্যে ৩টি জামায়াত ও একটি বিএনপি, মাগুরার দুটি আসনেই বিএনপি, নড়াইলের দুইটি আসনের মধ্যে একটি বিএনপি ও একটি জামায়াত, যশোরের ৬ আসনের ৫টিতেই জামায়াত ও একটি বিএনপি, বাগেরহাটে তিনটিতে জামায়াত ও একটিতে বিএনপি, সাতক্ষীরার ৪ আসনেই জামায়াত, মেহেরপুরে ২ আসনেই জামায়াত, চুয়াডাঙ্গার দুইটি আসনেই জামায়াত এবং ঝিনাইদহের তিন আসনে জামায়াত ও একটিতে বিএনপি’র প্রার্থী জয় পেয়েছেন।
খুলনার ৪টি আসন বিএনপি’র, দু’টি জামায়াতের : খুলনা-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমীর এজাজ খান ১ লাখ ২১ হাজার ৩৫২ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী পেয়েছেন ৭০ হাজার ৩৪৬। খুলনা-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল ৯৩ হাজার ৭৮৯ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু পেয়েছেন ৮৮ হাজার ১৯৭ ভোট। খুলনা-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল ৭৮ হাজার ৮৪৫ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান পেয়েছেন ৬৬ হাজার ১০ ভোট।
খুলনা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল ১ লাখ ২৩ হাজার ১৬২ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৫৩০ ভোট। খুলনা-৫ আসনে আলি আসগর লবি ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮৫৪ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৪৬ ভোট। এছাড়া খুলনা-৬ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ১ লাখ ৫০ হাজার ৭২৪ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পি পায় ১ লাখ ২৪ হাজার ৭১০ ভোট।
কুষ্টিয়ার ৩টিতে জামায়াত, একটিতে বিএনপি: কুষ্টিয়া-১ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী সাবেক এমপি রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা পেয়েছেন ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বেলাল উদ্দিন পেয়েছেন ৮২ হাজার ১৫৩ ভোট। কুষ্টিয়া-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল গফুর পেয়েছেন ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮১৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ২৮২ ভোট। কুষ্টিয়া-৩ আসনে আলোচিত ইসলামী বক্তা ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুফতি আমির হামজা ১ লাখ ৮০ হাজার ৬৯০ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার ১ লাখ ২৬ হাজার ৯০৯ পেয়েছেন।
কুষ্টিয়া-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আফজাল হোসেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৬ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি’র প্রার্থী সাবেক এমপি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৬ ভোট।
মাগুরার দু’টি আসনই বিএনপি: মাগুরা-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. মনোয়ার হোসেন ১ লাখ ৮৩ হাজার ৬৬৬ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী আব্দুল মতিন পেয়েছেন ৮৮ হাজার ০৩৬ ভোট। মাগুরা-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী নিতাই রায় চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মুশতারশেদ বিল্লাহ (বাকের) পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ০১৮ ভোট।
নড়াইলের দুই আসনে বিএনপি-জামায়াতের জয়: নড়াইল-১ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৯৯ হাজার ৯৭৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর জেলা সেক্রেটারি ওবায়দুল্লাহ কায়সার (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৭৫ হাজার ২২৫ ভোট। নড়াইল-২ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ১৮ হাজার ১৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মো. আতাউর রহমান বাচ্চু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মনিরুল ইসলাম (কলস) পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৪৫৭ ভোট। এছাড়া ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৪৬৩ ভোট।
যশোরের ৬ আসনের ৫টি জামায়াত, একটি বিএনপি: যশোর-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা আজীজুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১৮ হাজার ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নুরুজ্জামান লিটন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯২ হাজার ৯০৯ ভোট। যশোর-২ জামায়াতের ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৭১ হাজার ৯৯১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। বিএনপির সাবিরা সুলতানা ওরফে সাবিরা সুলতানা মুন্নি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪৪ হাজার ৯৩১ ভোট। যশোর-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। জামায়াতের আব্দুল কাদের ওরফে ভিপি কাদের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৮৪ হাজার ৪৫৯ ভোট।
যশোর-৪ জামায়াতের অধ্যাপক গোলাম রসুল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫৩৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। বিএনপির মতিয়ার রহমান ফারাজী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ৩০৬ ভোট। যশোর-৫ জামায়াতের গাজী এনামুল হক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৩২ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। স্বতন্ত্র (বিএনপির বিদ্রোহী) প্রার্থী অ্যাডভোকেট শহীদ মো. ইকবাল হোসেন কলস প্রতীকে পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৫ ভোট। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রশীদ আহমাদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৮৭৫ ভোট। যশোর-৬ আসনে জামায়াতের অধ্যাপক মোক্তার আলী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯২ হাজার ২৫৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবুল হোসেন আজাদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৯৫৯ ভোট।
বাগেরহাটে তিনটিতে জামায়াত ও একটিতে বিএনপি: বাগেরহাট-১ আসনে জামায়াত প্রার্থী মাওলানা মশিউর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রার্থী বিএনপির কপিল কৃষ্ণ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৯০ ভোট।
বাগেরহাট-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১৬ হাজার ৩৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেন পেয়েছেন ৬৬ হাজার ২৭৪ ভোট। বাগেরহাট-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩ হাজার ৭১১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অ্যাডভোকেট আব্দুল ওয়াদুদ পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৭০৫ ভোট। বাগেরহাট-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল আলিম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সোমনাথ দে ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৩২৬ ভোট।
সাতক্ষীরার ৪ আসনেই জামায়াত: সাতক্ষীরা-১ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মো. ইজ্জত উল্যাহ পেয়ে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৭৭২ ভোট নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের হাবিবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯৯৫ ভোট। সাতক্ষীরা-২ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মুহাদ্দিস আবদুল খালেদ ২ লাখ ৬৬ হাজার ৯৫৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের আব্দুর রউফ পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ২৯৩ ভোট।
সাতক্ষীরা-৩ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের রবিউল বাশার ১ লাখ ৮৪ হাজার ২৩৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকের মো. শহিদুল আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৩৭৯ ভোট। বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের কাজী আলাউদ্দীন পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৮১৯ ভোট। সাতক্ষীরা-৪ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের গাজী নজরুল ইসলাম ১ লাখ ৬ হাজার ৯১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের ড. মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪২৬ ভোট।
মেহেরপুরের ২ আসনেই জামায়াত: মেহেরপুর-১ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী তাজউদ্দীন খান ১ লাখ ২২ হাজার ৮২৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাসুদ অরুন পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ২২৪ ভোট। মেহেরপুর-২ আসনে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী নাজমুল হুদা ৯৪ হাজার ১৬৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী আমজাদ হোসেন পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৬৮৯ ভোট।
চুয়াডাঙ্গার দুইটি আসনেই জামায়াত: চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী এ্যাড. মাসুদ পারভেজ রাসেল ২ লাখ ১১ হাজার ১৫৫ ভোট ভোট নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের শরীফুজ্জামান পেয়েছেন ১ লাখ ৫১ হাজার ৮৪৮ ভোট। চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী এ্যাড. রুহুল আমিন ২ লাখ ১০ হাজার ১১১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের মাহমুদ হাসান খান বাবু পেয়েছেন ১ লাখ ৬৩ হাজার ২৯৯ ভোট।
ঝিনাইদহের তিন আসনে জামায়াত ও একটিতে বিএনপি: ঝিনাইদহ-১ আসনে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩৮৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৫৫ ভোট। ঝিনাইদহ-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আলী আজম মো. আবু বকর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৭০২ ভোটে জয় পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আব্দুল মজিদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ৯৮৪ ভোট।
ঝিনাইদহ-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিয়ার রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮৫৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মেহেদী হাসান রনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮২১ ভোট। ঝিনাইদহ-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর আবু তালিব দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৫ হাজার ৯৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ কাপ পিরিচ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১০৪ ভোট। এছাড়া বিএনপির প্রার্থী রাশেদ খান ধানের শীষ প্রতীকে ৫৬ হাজার ২২৪ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন।