Ibrahim Atiullah Anik
৬ নভেম্বর ২০২৫, ৮:৫৬ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

জাতীয় লজিস্টিকস নীতি অনুমোদন, বিনিয়োগ ও রপ্তানি বাড়বে

জাতীয় লজিস্টিকস নীতি অনুমোদন, বিনিয়োগ ও রপ্তানি বাড়বে
ফাইল ছবি

সরকার ‘জাতীয় লজিস্টিকস নীতি-২০২৫’ অনুমোদন করেছে। নীতিমালাটি দেশের পরিবহন, সরবরাহ ও বাণিজ্য ব্যবস্থাকে আধুনিক, দক্ষ ও টেকসই করার লক্ষ্যে প্রণীত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের ৪৭তম বৈঠকে এই নীতি অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘একটা নীতিমালা থাকলে সরকার তার কাজগুলো ঠিকভাবে করতে পারে, একটা নির্দেশনা পায়। আজকের নীতিমালাটি লজিস্টিক খাতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিকনির্দেশনা।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘এই নীতিমালার ফলে বাংলাদেশের বেসরকারি ও সরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়বে।

বিদেশি বিনিয়োগ আসবে এবং বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের তুলনায় আরো বৃদ্ধি পাবে।’

প্রেসসচিব জানান, ‘বর্তমানে দেশের প্রধান নৌবন্দর চট্টগ্রাম বন্দরে কোনো কোনো সময় পণ্য রপ্তানিতে ১১ দিন পর্যন্ত সময় লাগে। এই লজিস্টিকস নীতিমালা বাস্তবায়ন করতে পারলে পণ্য পরিবহন ও প্রাপ্যতা অনেক দ্রুত হবে এবং রপ্তানি কার্যক্রম আরো সহজ হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘২০২৪ সালে এ ধরনের একটি নীতি করা হয়েছিল।

পরে তা পুনর্মূল্যায়ন করে দেখা যায়, সেটি প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। পরবর্তীতে জনপ্রশাসনসচিব এহসানুল হকের নেতৃত্বে একটি কমিটি নতুনভাবে খসড়া প্রণয়ন করে।’

নীতিমালার মূল লক্ষ্য সম্পর্কে প্রেসসচিব বলেন, ‘২০৫০ সালের মধ্যে লজিস্টিক খাতে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে রেলওয়ে ও নৌপরিবহন খাতে। দেশের প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার নৌপথ রয়েছে, যার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।’

তিনি জানান, নীতিমালায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারি (পিপিপি) মডেলে বিনিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছে।

এর মাধ্যমে লজিস্টিক খাতকে একটি ডিজিটাল ইকোসিস্টেমে আনা হবে, যেখানে শুল্ক, ফি, কাগজপত্রসহ সব কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।  স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হওয়ার পর বাংলাদেশ বিশ্ববাজারে বর্তমানে যে শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা পাচ্ছে, তা ধীরে ধীরে কমে আসবে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের দাম বাড়বে। এই অতিরিক্ত ব্যয় সামাল দেওয়া ও অন্যান্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রপ্তানি খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নীতিটি সহায়তা করবে

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সিইসি সংবিধান লঙ্ঘন ও শপথ ভঙ্গ করেছেন : সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানির অনুমোদন দিলো সরকার

ইরানের পক্ষে লড়াইয়ে প্রস্তুত দুর্ধর্ষ চেচেন আর্মি

সিটি ব্যাংক ও তিতাস গ্যাসের মধ্যে চুক্তি

স্বপ্নজয়ী নারী সম্মাননা পেলেন প্রীতি চক্রবর্তী

আপনারা জেন-জি রিপ্রেজেন্ট করেন, জামায়াত জেনারেশন হয়েন না

বান্দরবান জেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন

গোপালগঞ্জে যৌতুক মামলার জেরে শ্বশুরকে হত্যা, অভিযুক্ত জামাতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

রাঙ্গুনিয়ায় বালতির পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু

সাভারে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত সাজিয়ে জালিয়াতি, এক ব্যক্তি কারাগারে

১০

আইএফসি কর্তৃক ‘বেস্ট জিটিএফপি ইস্যুয়িং ব্যাংক ইন সাউথ এশিয়া’ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করলো ব্যাংক এশিয়া

১১

আড়াইহাজারে ছিনতাইকৃত মোবাইল উদ্ধার,৩ জনকে কুপিয়ে যখম

১২

পদোন্নতি বঞ্চিত ১৮২১ চিকিৎসকের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

১৩

বাঁশখালীর কাহারঘোনায় ইয়াবা-জুয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, মাদক নির্মূলে কঠোর পদক্ষেপের দাবি

১৪

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইন, ৩ দিন অফলাইনে ক্লাস চলবে

১৫

বাগেরহাটে বর্ণবৈষম্য বিলোপ দিবস পালিত

১৬

সরকারি বিদ্যুৎ অফিসেই চুরি! ডোমারে নেসকোর অর্ধ লক্ষ টাকার তার গায়েব

১৭

ইরান যুদ্ধে ১২০ বিলিয়ন ডলার হারিয়েছে আরব আমিরাতের শেয়ারবাজার

১৮

এপ্রিলে বাড়ছে না জ্বালানি তেলের দাম

১৯

রাত ১২টায় শেষ হচ্ছে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়

২০