
বিজয়নগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় ক্ষমতার দাপটে পাঁচ চতুর্থাংশের মালিকদের সম্মতি ব্যতীত পুরাতন পুকুরের ভরাটের অভিযোগ উঠেছে।
গত ১লা মার্চ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর বুধন্তী ইউনিয়নের মেরাশানি গ্রামের মৃত হিরা মিয়া চৌধুরীর ছেলে আবুল হোসেন চৌধুরী একটি লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযুক্ত একই এলাকার রুকন উদ্দিন চৌধুরীর ছেলে শিবলী চৌধুরী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তী ইউনিয়নের বড় মেরাশানি মৌজার বি এস ৪১৬ নং দাগে ৩১ শতাংশ সহ পুকুরে মোট ১৬০ শতাংশ জায়গা পাঁচজন মালিকের এজমালি পুকুর রয়েছে। বর্তমানে পুকুরটি এলাকার খুবই গুরুত্বপূর্ণ, সমাজের প্রত্যেকটি মানুষ ব্যবহার করে আসছে। । অভিযুক্ত শিবলী চৌধুরী ক্ষমতার দাপটে বাকি চারজনের অনুমতি ব্যতীত জোরপূর্বক ভাবে রাতে দিনে তাড়াহুড়া করে মাটি দিয়ে ভরাট করে আসছে। এতে করে আশেপাশের মানুষ ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্তের মধ্যে পড়বে।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী আবুল হোসেন চৌধুরী বলেন, আমরা মোট পাঁচজন অংশীদারে মিলে এই পুকুরটি। পুকুরটি দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। সমাজের উপকার ও পরিবেশ রক্ষার্থে আমাদের পুকুরটি ভরাট করার প্রয়োজন নেই। অভিযুক্ত শিবলী চৌধুরী জোরপূর্ব ভাগে আমাদের বাকি চারজনের অনুমতি ব্যতীত পুকুরে মাটি ফেলে ভরাট করে আসছে। আমরা তার প্রতিকার চাই।
এ বিষয়ে তরী এই বাংলাদেশ বিজয়নগর শাখার আহ্বায়ক সাদেকুল ইসলাম ভুইয়া জানান, পুকুর ভরাট করা বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ। আমাদের দেশে দিন দিন পুকুর ভরাট করে জলাশয়ের সংখ্যা কমিয়ে ফেলছে। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে যেকোনো দুর্ঘটনা এড়াতে পানি সংকট অনুভব হবে। তাই প্রশাসনের হস্তক্ষেপ করা খুবই জরুরি।
এ বিষয়ে বিজননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাছিবুর রহমানকে একাধিকবার ফোন করে পাওয়া যায়নি।