Online Desk
৭ মার্চ ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

সব স্তরে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

সব স্তরে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার শিক্ষা, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও রাজনীতিসহ সকল স্তরে নারীর সক্রিয় ও কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

রোববার (৮ মার্চ) ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আজ দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে নারী-পুরুষ সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে। সম্মান ও মর্যাদা এবং নিরাপত্তা নিয়ে পরিবার, রাষ্ট্র ও সমাজে কাজ করবে।

৮ মার্চ ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের সকল নারীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন তখনই টেকসই হয়, যখন নারীর অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। এ প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে বলে আমি মনে করি।

তিনি বলেন, বিশ্বে জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। নারীদের রাষ্ট্র সরকার ও রাজনীতির মূলধারার বাইরে রেখে উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিশেষ করে, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত না হলে ঘরে বাইরে সামগ্রিক উন্নয়নের সুফল সম্ভব নয়। বাংলাদেশে জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি নারী। নারীদের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মাদার অব ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়া যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছিলেন। শহীদ জিয়ার শাসনামলে ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে ‘নারী বিষয়ক দফতর’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৭৮ সালে গঠন করা হয় ‘মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ যা পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে ১৯৯৪ সালে ‘মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’-এ রূপান্তরিত হয়েছিল।

তারেক রহমান বলেন, নারীর আর্থসামাজিক ক্ষমতায়নে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছিলেন। বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নে এটি ছিল একটি বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত। একই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করেছে।

তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা চালু করা, উচ্চশিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, মেয়েদের জন্য ফ্রি স্কুল ইউনিফর্ম, ডিজিটাল লার্নিং সুবিধা এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা।

সরকার নারীর নিরাপত্তা বিধানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাইবার বুলিং এবং অনলাইনে নারীর বিরুদ্ধে হয়রানি বন্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের বিদ্যমান সমাজে সমতা হোক অঙ্গীকার, মর্যাদা হোক বাস্তবতা, আর ক্ষমতায়ন হোক উন্নয়নের ভিত্তি।

প্রধানমন্ত্রী ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।

সূত্র: বাসস

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ধুনটে লক্ষ্মী মন্দিরে আগুন দিয়ে পোড়ানোর চেষ্টার অভিযোগ

বাগেরহাটের রামপালে আন্তর্জা‌তিক নারী দিবস পালন

স্থানীয় সরকারে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানে ভোটের প্রস্তুতি ইসির

সিটি ব্যাংক ও টয়োটা বাংলাদেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

ধুনটে বিএনপি,র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

বকশীগঞ্জে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক মালিকদের ইফতার মাহফিল

নতুন সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশে প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ

রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে সরকারের কমিটি গঠন, প্রজ্ঞাপন জারি

পটুয়াখালীতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা

১০

মিরসরাইয়ে আন্তঃজেলা ছিনতাই চক্রের দুই সদস্য কে জনতার গনপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

১১

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে গোপালগঞ্জে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

১২

রাঙ্গামাটির লংগদুতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

১৩

অসহায় শিক্ষার্থী সোহাগের ফরম পূরণে আর্থিক সহায়তা লংগদু জোনের

১৪

খুলনায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

১৫

আশুলিয়ায় বাড়িওয়ালাদের সাথে বিএনপি নেতাদের ইফতার পার্টি

১৬

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নব-নির্বাচিত চীফ হুইপ ও হুইপদের শ্রদ্ধা নিবেদন

১৭

পটুয়াখালীতে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

১৮

আরও কর্মসংস্থান তৈরির প্রত্যাশা এমজিআই’র

১৯

১৬ মার্চ দিনাজপুরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

২০