
মোরেলগঞ্জ প্রতিনিধি : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের জমি দখল করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার বেলা ১১টার দিকে হোগলাবুনিয়া গ্রামে জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ঘটনায় শিক্ষক আব্দুল বারি বাদি হয়ে মহারাজ খানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে জানাগেছে, উপজেলার হোগলাবুনিয়া ইউনিয়নের হোগলাবুনিয়া গ্রামের নেছারিয়া আজহারিয়া নূরানিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক বৃদ্ধ আব্দুল বারি (৭২) পৈত্রিক জমির একটি অংশে দখলের জন্য ঘটনার সময় সোমবার ১১টার দিকে একই গ্রামের প্রতিবেশী মহারাজ খানের নেতৃত্বে ৩০/৪০ জন ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে ওই শিক্ষকের জমিতে ভবন নির্মাণ করেন।
ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষক আব্দুল বারি বলেন, দাদা ও পিতার পাওয়া ৬৪ শতক জমিতে ৭০ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছি। ১৭ শতক জমি নিয়ে বিরোধ মহারাজ খানের সাথে। আদালত ও থানায় অভিযোগও দিয়েছি। হঠাৎ করে আজ সকালে পরিকল্পিতভাবে প্রায় ১০০ লেবার শ্রমীক ও ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে পাকা ইমারতের কাজটি জোরপূর্বক চালিয়েয়ে যাচ্ছে। পরিবার পরিজন নিয়ে আতংকে রয়েছি বলে শিক্ষকের স্ত্রী রাফেজা আক্তার। এ ঘটনায় শিক্ষক ওই পরিবারটি ন্যায় বিচারের জন্য প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিয়েও কোন সুরহা হয়নি। তার উর্দ্ধতন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
এ সর্ম্পকে মহারাজ খান বলেন, তিনি কারও জমিতে কাজ করছেন না। আমার জমিতে নির্মাণাধীন কাজ করছি।
এ বিষয়ে শিক্ষক আব্দুল বারি বলেন, আমার সম্পত্তি, সামনে মাদ্রাসা, জোর দখল করে মহারজা খান লোকজন নিয়ে এসে পিলারের কাজ শুরু করেছে। আমাকে উচ্ছেদের পায়তারা করছেন। আমি প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচার চাই। কিন্তু মহারাজ কাজ বন্ধ না রেখে চলমান রাখে এবং আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন।
মোরেলগঞ্জ থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মিজানুর রহমান বলেন, হোগলাবুনিয়ায় জমি দখলের অভিযোগে একটি অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উভয় পক্ষকে আইনশৃংখলা যাতে অবনতি না হয় সর্তক করা হয়েছে। তবে, স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তির জন্য উভয় পক্ষ ১ দিনের জন্য সময় নিয়েছে। জমি সংক্রান্ত বিষয়ে বাদিকে বিজ্ঞ আদালতের স্বরনাপন্ন হওয়ার জন্য বলা হয়েছে।