
ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডোমার উপজেলার গোঁসাইগঞ্জ বন বিভাগে অবৈধ বালু উত্তোলন ও গাছ কাটার বিষয়ে ভোরের দর্পণ পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পরপরই নীলফামারী জেলা প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করেছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে এ অভিযান পরিচালনা করেন নীলফামারীর সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রায়হান উদ্দিন। অভিযানে তিনজনকে এক মাস করে এবং অপর একজনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বাচ্চা বাউ (পিতা: কাচু বাউ), শহিদুল ইসলাম (পিতা: বাবুল হোসেন) ও মনজুরুল ইসলাম (পিতা: আব্দুল হক) এদের প্রত্যেককে এক মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া হেলাল (পিতা: সমরুদ্দীন) কে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
অভিযানের সময় ভ্রাম্যমান আদালত দুটি বালুবোঝাই মহেন্দ্র গাড়ি জব্দ করে। পাশাপাশি অপর একটি অভিযানে একটি মহেন্দ্র গাড়ির ট্রলি আটক করা হয়। জব্দকৃত এসব যানবাহন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হেফাজতে রাখা হয়েছে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জানান এগুলো নিলামে উঠা হবে।
অভিযানে চিলাহাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, র্যাব-১৩ নীলফামারী, এবং ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়ন নীলফামারীর সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া গোঁসাইগঞ্জ বন বিভাগের কর্মকর্তারাও এতে সহযোগিতা করেন।
স্থানীয়রা জানান,জেলা প্রশাসন কর্তৃক যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে আজকে যে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে, এরকম অভিযান গত এক বছরের পূর্বে করা হলে বনটি হয়তো বা রক্ষা করা যেত।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রায়হান উদ্দিন জানান, গোঁসাইগঞ্জ বন বিভাগের সংরক্ষিত এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও গাছ কেটে আসছিল। পরিবেশ রক্ষা ও সরকারি সম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
অভিযানে তিনজনকে এক মাসের কারাদন্ড ও একজনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। দুটি ট্রাক্টর (মহেন্দ্র গাড়ি) ও একটি ট্রাক্টর০ এর বডি জব্দ করা হয়েছে।ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহতভাবে থাকবে বলে তিনি জানান।