
খাগড়াছড়িতে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দুটি উপজেলায় ১৪৪ ধারা বহাল রয়েছে।
রোববার দুপুর ২টা থেকে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা ও গুইমারা উপজেলায় ১৪৪ ধারা জারি করেন।
এদিকে এ দুই উপজেলায় ১৪৪ ধারা জারির পরপরই ০৭ প্লাটুন বিজিবি, পুলিশ, আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ান’সহ সেনাবাহিনীর টহল অব্যাহত রয়েছে।
১৪৪ ধারা জারির পরপরই যৌথবাহিনী খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা ও গুইমারা উপজেলায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতে কিছুক্ষণ পরপরই টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনী’সহ যৌথবাহিনী।
এদিকে ১৪৪ ধারার কারণে এ দুই উপজেলায় দোকানপাট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে,সেই সাথে খাগড়াছড়ি জেলা থেকে দূরপাল্লার যানবাহন থেকে শুরু করে পণ্য পরিবহন পর্যন্ত চলাচল করতে দেখা যায়নি।
রোববার অবরোধের কারণে সাজেকে ২১৪৭জন পর্যটকদেরকে সেনাবাহিনীর বিশেষ নিরাপত্তায় সাজেক থেকে খাগড়াছড়ি নিয়ে আসে পরে তাদেরকে বিশেষ নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে দূরপাল্লার চেয়ার কোচগুলোর মাধ্যমে খাগড়াছড়ির সীমানা পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছেন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।
উল্লেখ যে গত ২৩ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ি জেলা সদরের সিঙ্গিনালা এলাকায় ৮ম শ্রেণির মারমা ছাত্রীকে ধর্ষণের আজ ৬দিন অতিবাহিত হতে চললেও সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণকারীদের মধ্যে সন্দেহভাজন ১জন গ্রেফতার করলেও বাকী দুজন ধর্ষককে এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারেনি।তবে অভিযুক্ত ধর্ষকদের আইনের আওতায় আনার জন্য যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন প্রশাসন।
খাগড়াছড়িতে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আজ(রবিবার) সকালে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমার উপস্থিতিতে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সকাল ১০ থেকে শুরু হয়ে এ সভা দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে।
এসময় এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন,পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১৪৪ ধারা কার্যকর করতে ও অবৈধ অস্ত্রধারীদের আইনের আওতায় আনার জন্য ও প্রশাসনকে নির্দেশ দেন, তিন আরো বলেন যেকোনো সভা সমাবেশ প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই করতে হবে।পরিশেষে দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উৎসবমুখর পরিবেশে যাতে অনুষ্ঠিত হতে পারে সেজন্য প্রশাসনকে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা।
এসময় জেলা প্রশাসক ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার, পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল ও খাগড়াছড়ি সদর সেনা জোনের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল খাদেমুল ইসলাম ‘সহ ৩২ বিজিবির অধিনায়ক’সহ বিভিন্ন পেশাজীবি, সামাজিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে খাগড়াছড়ি গুইমারা উপজেলায় ১৪৪ ধারার মধ্যেও গুইমারার রামসু বাজারে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে দুষ্কৃতকারীরা সেখানে সেনাবাহিনীর ১১ সদস্যও আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।