
কাহালু (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার কাহালু উপজেলা সদর ও বীরকেদার ইউনিয়ন সহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বর্ষা মৌসুমের শুরুতে ব্যাপক হারে জলাব্ধাতার সৃষ্টি হয়েছে।
আধা পাকা বোরো ধান সহ মাঠের ফসল নিয়ে কৃষক এবং মৎস্য চাষীদের মাঝে হতাশা। আর একটু বৃষ্টি হলেই তলিয়ে যাবে কৃষকের স্বপ্নের ফসল পাকা ধান ও চাষ করা পুকুরের মাছ।
প্রতিকার চেয়ে বীরকেদার ইউনিয়নের শেখাহার, ডেপুইল, অভিলম্ব, ছাতুয়ারপাড়া গ্রামের প্রায় অর্ধশত কৃষক মঙ্গলবার কাহালু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. মলিহা খানম বরাবর একটি লিখিত আবেদন দিয়েছেন। তাদের দাবি অপরিকল্পিত ভরাট ও স্থাপনা নির্মাণ করায় মানব সৃষ্ট এই দুর্ভোগের কারণে বীরকেদারের প্রায় ১” ৫০ হেক্টর জমি ও কাহালু সদও ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হেক্টর জমির বোরো ধান পানিতে ডুবে যাওয়ার সম্মুখীন রয়েছে। এছাড়া বগুড়ার রানীরহাট-কাহালুর দেওগ্রাম ও কাহালু-দুপচাঁচিয়া সড়কের নাগর নদী পর্যন্ত রাস্তার দু’ধারের নয়নজলি ও পানি নিস্কাশনের ব্রীজ-কালবাট বন্ধ করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ এবং ভরাট করে প্রভাবশালী মহল জলাবদ্ধার সৃষ্টি করায় খাজলাল, পাইকপাড়া, আখুন্জা, কালিশকুড়ী কচুয়া সহ এলাকার ১০/১২ টি মাঠের আধা পাকা বোরো ধান ও পুকুরে চাষকৃত মাছ নিয়ে কৃষক সমাজ আতংকে দিনাতিপাত করেছে।
বর্ষা মৌসুম এলেই এলাকার কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতি ও আতংক বাড়ে। বাববার প্রতিকার চেয়ে কৃষক সমাজ প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধির নিকট আবেদন নিবেদন করলেও রহস্য জনক কারণে ঐসব প্রভাবশালী অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ কারিদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ গ্রহন না করায় কৃষক সমাজে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
বিষয়টি নিয়ে কাহালু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. মলিহা খানম এর সাথে কথা বলা হলে তিনি জানান, বীরকেদার ইউনিয়নের কৃষকদের নিকট হতে একটি লিখিত আবেদন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে কৃষকদের ফসল রক্ষা করা হবে।