
বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: সমুদ্রে চলমান ৫৮ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ আহরণের দায়ে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপকূলে অভিযান চালিয়ে একটি আর্টিসানাল নৌযান জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে নৌযান মালিককে জরিমানা করা হয়েছে এবং জব্দ করা মাছ নিলামে বিক্রি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে বঙ্গোপসাগরের উপকূলে বাঁশখালী উপজেলার শেখেরখীল–গন্ডামারা সংলগ্ন মোহনায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেয় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়, বাঁশখালী এবং বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের পূর্ব জোনের একটি বিশেষ দল।
অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, খাটখালী এস আলম জেটির অদূরে ‘এফবি রহিম’ নামের একটি ছয় সিলিন্ডার বিশিষ্ট নৌযানকে মাছ আহরণের সময় আটক করা হয়। এ সময় নৌযান থেকে ৪১ ড্রাম সামুদ্রিক মাছ জব্দ করা হয়। জব্দ মাছের আনুমানিক ওজন ১ হাজার ২৩০ কেজি এবং বাজারমূল্য প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার টাকা।
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় নৌযান মালিককে ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. তৌসিব উদ্দিন। পরে জব্দ মাছ উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে একই পরিমাণ অর্থে বিক্রি করা হয়। এতে জরিমানা ও নিলাম মিলিয়ে মোট ২ লাখ ৩৬ হাজার টাকা আদায় হয়।
অভিযানে উপজেলা মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সদস্যরা অংশ নেন। এতে সহযোগিতা করেন পিও (সিসি) এম. এ রশীদ।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত ৫৮ দিন সমুদ্রে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ রয়েছে। এ সময় নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে উপকূলজুড়ে প্রচার-প্রচারণা ও অভিযান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।