
বলিউডের হিট ছবি ‘ধুরন্ধর’ মুক্তির পর থেকেই অক্ষয় খান্না সংবাদ ও আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন। পাকিস্তানি ডাকাত রেহমান চরিত্রে তার অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের সমানভাবে মুগ্ধ করেছে।
চরিত্রের পরিচয় জানিয়ে দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যে অক্ষয়ের নাচ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ নাচকে ঘিরে ভারত–পাকিস্তান জুড়ে নতুন আলোচনাও শুরু হয়েছে। মজার বিষয় হল, এই ভাইরাল নাচটি পুরোপুরি স্বতঃস্ফূর্ত ছিল—একটিও কোরিওগ্রাফ করা হয়নি। অক্ষয়ের সহ-অভিনেতা ড্যানিশ পান্ডো জানিয়েছেন, “আমরা লেহ–লাদাখে গানটির শুটিং করছিলাম। পরিচালক আদিত্য স্যার শটটি ব্যাখ্যা করছিলেন। হঠাৎ অক্ষয় স্যার জিজ্ঞেস করলেন, ‘আমি কি নাচতে পারি?’ আদিত্য বললেন—‘তোমার যা খুশি করো।’ একটিকেই সব হয়ে গেল! আমরা কেউই আশা করিনি।”
কোরিওগ্রাফার বিজয় গাঙ্গুলি ‘মিড ডে’-কে বলেছেন, “এই গানটি ছিল শের-ই-বালুচের সিংহাসনে বসার আনন্দের অংশ। মূলত অক্ষয়কে শুধু হেঁটে আসার কথা ছিল। কিন্তু তিনিই নিজে প্রস্তাব দিলেন, নাচ করলে দৃশ্যটি আরও প্রাণবন্ত হবে। আমরা কেউই জানতাম না তিনি কী করতে যাচ্ছেন। সবই spontaneous হয়েছে।” অক্ষয় খান্নার এই অভিনয় রূপান্তর এখন বলিউডে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ‘ধুরন্ধর’–এর পর দর্শক ও সমালোচকেরা একমত—অক্ষয় তার অভিনয়কে এক নতুন স্তরে নিয়ে গেছেন। ‘ছাবা’র ‘ঔরঙ্গজেব’ চরিত্রে যে সংযম, তীব্রতা ও নীরব শক্তি দেখা গিয়েছিল, ‘ধুরন্ধর’–এ তা আরও সুসংহত এবং গভীরভাবে ফুটে উঠেছে। চোখের ভাষা, সংলাপ বলার ছন্দ, মুখের মৃদু পরিবর্তন—সব মিলিয়ে তিনি রেহমান ডাকাতের চরিত্রটিকে জীবন্ত করে তুলেছেন।
অতএব, ‘ধুরন্ধর’–এর সাফল্যের ধারা দেখে অনেকেই মনে করছেন, ২০২৫ অক্ষয় খান্নার ক্যারিয়ারের অন্যতম উজ্জ্বল সময় হয়ে থাকবে।