Shakil Shah
১৩ জানুয়ারী ২০২১, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীর কয়লাভিত্তিক প্ল্যান্টটি ৪০ বছর বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম

ভোরের দর্পণ ডেস্কঃ

পটুয়াখালীতে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি উৎপাদনে আসবে ২০২৩ সালের শুরুতেই। কয়লাভিত্তিক এই প্ল্যান্টটি ৪০ বছর বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। করোনার কারণে প্রকল্পের ব্যয় বাড়বে না জানিয়ে কর্তৃপক্ষ বলছে, এরই মধ্যে শেষ হয়েছে প্রায় ২৭ শতাংশ কাজ। বাস্তুচ্যুত ২৮১টি পরিবারের জন্য পরিকল্পিত আবাসন নির্মাণের কাজও শেষের পথে।

পটুয়াখালী সদর থেকে ৬৫ কিলোমিটার দূরের প্রত্যন্ত জনপদ কলাপাড়ার ধানখালি ইউনিয়নের এ নিশানবাড়িয়া গ্রাম। টেকসই বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষে এ মাটিতেই গড়ে উঠছে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক বেইজলোড তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।

এখানে নির্মণ সম্পন্ন হওয়া পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশেই ৯১৫ একর জমিতে করোনার মধ্যেও বড় আকারের এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির নির্মাণকাজ চলছে জোরেশোরে। দেশীয় বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আরপিসিএলের সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান নোরিনকো ইন্টারন্যাশনাল যৌথ বিনিয়োগে ২০ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া থেকে কয়লা এনে আল্ট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল টেকনোলজি ব্যবহার করে এখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। পরিবেশ সম্মতভাবে উপায়ে কয়লা খালাস এবং তা প্রক্রিয়াজাতকরণে ব্যবহৃত হবে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি। যাতে কার্বণ নিঃসরণের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করা হবে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে।

প্রকল্প পরিচালক তৌফিক ইসলাম বলেন, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথমটির ফলোয়ার হওয়ার কথা। করোনার কারণে প্রকল্প যদি চার মাস বা ছয় মাস দেরিও হয়, আমরা চেষ্টা করব সেটা পুষিয়ে নিতে, যদিও হয় এটাতে কোনো ব্যয় বৃদ্ধি হবে না।

পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণ করতে এখানে ২২০ মিটার উঁচু চিমনি স্থাপিত হবে জানিয়ে বিদেশি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বলছে, কয়লাভিত্তিক এই প্ল্যান্টটি অন্তত ৪০ বছর বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম হবে।

চীনের ইপিসি ঠিকাদার লি ফুদং বলেন, পরিবেশের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছি আমরা। আন্তর্জাতিক গাইডলাইন মেনে প্রযুক্তি ও প্রকৃতির সমন্বয় করেই কাজ করা হচ্ছে।

৬৬০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট চালাতে প্রতিদিন এখানে পোড়াতে হবে ১২ হাজার মেট্রিক টন কয়লা। স্টিম টারবাইন, জেনারেটর ও বয়লারের মতো মূল যন্ত্রাংশ স্থাপনে এখন চলছে চূড়ান্তভাবে মাটি প্রস্তুতের কাজ।

শুধু বিদ্যুৎ কেন্দ্রই নয়, যাদের জমিতে গড়ে উঠছে এই প্রকল্প তাদের পুনর্বাসনে ৩০ একর জমিতে ২৮১টি পরিবারের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন আধুনিক আবাসন। ১২শ’ বর্গফুটের বাড়ি, স্কুল, মসজিদ, সুপেয় পানি সরবরাহ, স্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ সাইক্লোন শেল্টার কাম কমিউনিটি সেন্টার পাবেন পরিকল্পিত নগরের বাসিন্দারা।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আশুলিয়ায় হামলা-ভাংচুরের ঘটনায় গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন

মাইনীমুখ মডেল হাই স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীনদের বরণ অনুষ্ঠিত

বাউফলে হাম প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা

বাঁশখালী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ধুনটে শিক্ষার মান উন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাঁশখালী আইনজীবী সমিতির সভাপতি নির্বাচিত মোহাম্মদ নাছের

মোরেলগঞ্জের প্রতিবন্ধী শিশু অদম্য মাইশা বাঁকা হাতেই বৃত্তি পরীক্ষা দিচ্ছে

বাগেরহাটে ২০ এপ্রিল থেকে হাম-রুবেলা টিকাদান শুরু

কাহালুর বিবিরপুকুর আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সততা স্টোরের উদ্বোধন

উলিপুরে বিদায় ও বরণ উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

১০

আড়াইহাজারে শিক্ষকের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

১১

নামেই ‘মডেল’, বাস্তবে জরাজীর্ণ: বকশীগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেহাল দশা

১২

আউশ আবাদে উৎসাহিত করতে বকশীগঞ্জে ১,২৫০ কৃষক পেলেন সরকারি প্রণোদনা

১৩

পার্বত্য মন্ত্রী ও সাংসদের মৈত্রী পানি বর্ষণ মধ্য দিয়ে জলকেলীর শুভসূচনা

১৪

মোরেলগঞ্জ-শরণখোলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ এসএসসি পরীক্ষার্থীরা: জনজীবনে চরম ভোগান্তি

১৫

দেশের ৫৩ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন

১৬

ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে বলল চীন

১৭

আ. লীগ আমলে বিসিএস ক্যাডার নিয়োগে দলীয়করণ, তদন্ত করে ব্যবস্থা

১৮

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদ মন্ত্রী

১৯

বকশীগঞ্জে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে বৃদ্ধের ঘর ভস্মীভূত, নিঃস্ব পরিবার

২০