
ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার ধুনটে হঠাৎ করেই ছোঁয়াছে রোগ হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এই রোগে আক্রান্ত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন ভর্তি হন। তবে তার অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় তাকে দ্রুত বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার নাম জুয়েল রানা (৩২)। তিনি উপজেলার গোসাইবাড়ি ইউনিয়নের জোড়খালী গ্রামের আশরাফ আলীর ছেলে। হাম আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন রোগীদের চিকিৎসায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চালু করা হয়েছে আলাদা আইসোলেশন ইউনিট।
হাসপাতালের সংশ্লিষ্টরা জানান, হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে জুয়েল রানা নামে এক রোগী ২ এপ্রিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। কিন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শরীরের অবস্থা খারাপ হয়ে পড়ে। ফলে তাকে ৩ এপ্রিল রাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
হাসপাতালের চিকিৎসকরা রোগীদের বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় সব ওষুধ ও সরঞ্জাম সরবরাহ করছেন। তবে নমুনা পরীক্ষার স্থানীয় সুবিধা না থাকায় রোগ শনাক্ত ও বিস্তার রোধের লড়াইটি চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। এদিকে দ্রæত হাম পরীক্ষা কেন্দ্র চালুর দাবি জানিয়েছে বিভিন্নমহল। তারা বলছেন-জনস্বার্থে ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে এখানে ল্যাব স্থাপন করা জরুরি।
ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজ্জাদ কাদির বলেন, এটি ভাইরাসজনিত ছোঁয়াছে রোগ। শিশুসহ যেকোনও বয়সী মানুষের হাম হতে পারে। আপাতত ভর্তি করা রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থার কোনও সংকট নেই। হাম অত্যন্ত সংক্রামক হওয়ায় রোগীদের অন্যদের থেকে আলাদা রাখা জরুরি। এ কারণে হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ডের একাংশে হাম আক্রান্ত রোগীদের জন্য আইসোলেশন সেন্টার চালু করা হয়েছে। সেখানে ৪টি বিছানা স্থাপন করা হয়েছে।