
বাটা বাংলাদেশ ২০২৫ সালের জন্য ১০৫% চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ প্রস্তাব করেছে, যা প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিযোগিতার সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করেছে এবং পুরো বছরের মোট লভ্যাংশকে ২৪৮%-এ উন্নীত করেছে। একই সময়ে, বাটা বাংলাদেশ ৯,১৬৪ মিলিয়ন টাকা টার্নওভার অর্জন করেছে, যেখানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই এই সাফল্য এসেছে। ভোক্তাদের একটি বড় অংশ যখন প্রয়োজনের অতিরিক্ত খরচ কমিয়েছে, তখন এই ক্যাটাগরির অংশ হিসেবে বাটাও এর প্রভাব থেকে মুক্ত ছিল না।
সারা বছরজুড়ে কোম্পানিটি গ্রাহককেন্দ্রিক কৌশলের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে, যেখানে উচ্চ প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনাময় সেগমেন্টগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ক্যাজুয়াল, স্নিকার এবং প্রিমিয়াম পণ্যের ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে, যা পরিবর্তনশীল বাজার প্রবণতার সঙ্গে ভালোভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই পণ্য উন্নয়নকে আরও শক্তিশালী করেছে ব্র্যান্ডের ওমনিচ্যানেল (অনলাইন) নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি, যার ফলে গ্রাহকরা ডিজিটাল ও সরাসরি দোকান—উভয় প্ল্যাটফর্মেই নির্বিঘ্নভাবে ব্র্যান্ডের সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে পেরেছেন।
বর্তমানে বাটা বাংলাদেশ তাদের প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং একটি সুশৃঙ্খল সাংগঠনিক কাঠামো বজায় রাখার মাধ্যমে বাজারের বিদ্যমান পরিস্থিতি মোকাবিলা করে যাচ্ছে। প্রয়োজনীয় কাঠামোগত সংস্কারের পাশাপাশি পণ্য উদ্ভাবন এবং গ্রাহক সেবার মানোন্নয়নে ধারাবাহিক বিনিয়োগের ফলে কোম্পানিটি আগামীর উজ্জ্বল সম্ভাবনাগুলো কাজে লাগাতে প্রস্তুত। এই দূরদর্শী পদক্ষেপগুলো নিশ্চিত করছে যে, দেশের জুতা শিল্পে বাটা তার শীর্ষস্থান ধরে রেখে সচেতন গ্রাহকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাবে।