Online Desk
২৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

বিজয়নগর উপজেলা সৃষ্টিতে উদ্যোক্তাদের ভূমিকা

বিজয়নগর উপজেলা সৃষ্টিতে উদ্যোক্তাদের ভূমিকা

বিজয়নগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: তিতাস নদীবেষ্টিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পূর্বাঞ্চলের ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত হয় বিজয়নগর উপজেলা। ভৌগোলিক অবস্থান ও দূরত্বের কারণে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ দিনের দাবী ছিল একটা উপজেলা।

বাংলাদেশে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ১৯৮২ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উপজেলা পদ্ধতি চালু করা হয়, যা পূর্বে থানা হিসেবে পরিচিত ছিল। প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে এবং গ্রামীণ উন্নয়নের লক্ষ্যে থানাকে উপজেলায় উন্নীত করে স্থানীয় শাসন ব্যবস্থা পুনর্গঠন করা হয়।

নতুন উপজেলা গঠনের শর্ত অনুযায়ী সাধারণত ৮টি ইউনিয়ন থাকতে হয় এবং জনসংখ্যা আড়াই লক্ষের বেশি হতে হয় যাহা শর্তর চেয়ে বেশি ছিল।

বিজয়নগর উপজেলা প্রতিষ্ঠা একটি যুদ্ধের সমতুল্য। তেমনি উপজেলায় প্রতিষ্ঠা একটা ইতিহাস মাএ। তিতাস পূর্বপাড়ের অবহেলিত জনগণের বহুদিনের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়ন একটা স্বপ্ন।

ইছাপুরা ইউনিয়নের আক্তার হোসেন (সাবেক চেয়ারম্যান) সহ উপজেলার বিভিন্ন জনের অবদান বিরল।

১৯৯৯ সালে তৎকালীন ইছাপুরা ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক (বকুল) এর চাচাতো ভাই জাপান প্রবাসী বাবুল আক্তারের মির্জাপুর মৌজায় ২৭ একর সরকারি জায়গার মধ্যে প্রায় ১২ একর জায়গা বাবুল আক্তার এর নামে জিয়াউল হক বকুলের সনাক্তকারীতে দলিল সম্পন্ন হয়। তখন এলাকার লোকজন ও আক্তার হোসেনের পরিবারের অগ্রণী ভূমিকায় সাতগাঁও গ্রামের গর্ব তখনকার মন্ত্রিপরিষদের অতিরিক্ত সচিব দাউদুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন’-এর দশম চেয়ারম্যান (সাবেক) আহমেদুল হক চৌধুরী ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক (সাবেক) আলী ইমাম চৌধুরী এর সার্বিক সহযোগিতায় তিতাস পূর্ব পাড়ে নতুন একটি উপজেলা।

তৎকালে মির্জাপুর বাসিন্দারা বাদী হয়ে বাবুল আক্তারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

মামলা পরিচালনায়কারী আক্তার হোসেন তখনকার বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব ওমর ফারুক (সাতগাঁও গ্রামের দাউদুজ্জামান ব্যাচমেট) এর সহযোগিতায় মির্জাপুর এলাকায় প্রথমে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র করা হয়। তখন থেকেই শুরু হয় বিজয়নগর উপজেলা প্রতিষ্ঠার গুঞ্জন।

২০০৭ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক সৈয়দ আহমদ সফা বিজয়নগর উপজেলা গঠনে আংশিক প্রস্তাবনা সহ উপজেলার সরকারি জায়গা দখল উচ্ছেদ করার অবদানে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেন।

পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক ব্রাহ্মণবাড়িয়া আব্দুল হাই দলিলসহ পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রেরণ করেন।

সময়কালে আর ডি সি আব্দুল ফজল মীর বাদী হয়ে বাবুল আক্তার সহ তার দলিলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং সি আর ১৫৩/২০০৭ উক্ত মামলায় ৫১ আসামীর মধ্যে ৪০ জনকে জেল হাজতেও পাঠানো হয়।

তখনকার চান্দুরা ইউপি চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন চৌধুরী (সেলিম) উপজেলার তৈরিতে প্রস্তাবকারী ছিলেন।

এন এস আই ডি জি শামসুজ্জামান (সামস), ভূমিকার পাশাপাশি তখনকার ওসি এর সাথে ওনার সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল।

কর্নেল জাফরুল্লাহ খান ও তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ের সচিব কাজী আমিনুল ইসলাম জেলার পূর্বপাড়ে উপজেলা তৈরিতে মুখ্য ভূমিকায় নিরলস প্রচেষ্টায় জনগণ পেল এই উপহার।

নাসিরনগর উপজেলার এডভোকেট মরহুম সাইদুল হক (সাবেক মন্ত্রী), বুধন্তি ইউনিয়নের মোশারফ হোসেন (সচিব) এডভোকেট তানভীর ভূঁইয়া, বিএনপি’র বর্তমান উপজেলা সদস্য সচিব এডভোকেট ইমাম হোসেন, সিনিয়র এডভোকেট শফিকুল ইসলাম সহ মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে আক্তার হোসেনকে যথার্থ সহযোগিতা করে আসছিলেন।

প্রথম নামকরণ প্রস্তাবে ছিল মির্জাপুর উপজেলা, কিন্তু পরবর্তীতে তৎকালীন সরকার টাঙ্গাইল মির্জাপুর থাকার কারণে উক্ত নামের পরিবর্তে সুন্দর একটি নামকরণ করা হোক বলে চিঠি অনুমোদন করা হয়।

অনুমোদনের চিঠি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক এর কাছে আসলে, বিভিন্ন জনের মধ্যে বিভিন্ন নাম প্রস্তাবনায়, জয়নগর উপজেলা, জয় উপজেলা এবং বিজয়নগর উপজেলা নামে তিনটি নাম প্রস্তাব করা হয়।

পরিশেষে হাবিবুল কবির চৌধুরী ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ডি এস তার দায়িত্বে বিজয়নগর নাম সিলেকশন করে চিঠি ইস্যু করা হয়।

বাবুল আক্তারের দলিল চ্যালেঞ্জ করে মির্জাপুরের ভূপেশ চৌধুরী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং জি আর ১০১০/১৯৯৯ পরে পরিবর্তন হয়ে সি জি এস ২৬৬/২০০২ হয়।

সরকারের বিপক্ষে নিজ দলিল চ্যালেঞ্জ করে বাবুল আক্তার আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়ের করেন যাহার মামলা নং ১২/২০০২

উক্ত মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এলাকার ১২ জন বাদী হয়ে বাবুল আক্তার, জিয়াউল হক বকুল (সাবেক চেয়ারম্যান) সহ দলিল দাতাদের বিরুদ্ধে আদালতে দেওয়ানি মামলা করা হয়। মামলা নং ৪/১৯৯৯ দেওয়ানি ৪/১৯৯৯ ও ১২/২০০২ নং মামলা সরকার ও জনগণের পক্ষে রায় আসেন। বাবুল আক্তার উক্ত রায়কে অনাস্থা জ্ঞাপন করে হাইকোর্টে আপিল করেন।

পরে দায়েরকৃত ২৬৬ নং ফৌজদারি জাল দলিলের মামলা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় সাক্ষী ও একশন রায়ের পরিবর্তে ২০২০ সালে মহামান্য হাইকোর্ট আওয়ামী সরকার মামলাটি স্টে করেন। মামলা নং ১৮৯০০/২০২০ মামলাটি এখন পর্যন্ত কোন সূরাহা হয়নি।

অপরদিকে ১২১০১/২০০৭ নং জালিয়াতি মামলা উচ্চ আদালত থেকে ২৪শে আগস্ট ২০০৯ ইং তারিখে অবশিষ্ট আসামিগণ জামিনের লক্ষ্যে বিবাদী বাবুল আক্তার উচ্চ আদালতে প্রেরণ করে সকল দপ্তর থেকে উক্ত মামলার নতি গায়েব করে ফেলেন বলে মামলা পরিচালনাকারী আক্তার হোসেনের দাবি। শত চেষ্টায়ও মামলার নতি খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে জানান।

২০১০ সালের ৩রা আগস্ট মীর্জাপুর গ্রামে বিজয়নগর উপজেলার যাত্রা শুরু। প্রথমে একটা ভাড়া বাড়িতে উপজেলার প্রাশাসনিক কার্যক্রম চালু ছিল। বিজিবি’র লেঃ কর্ণেল সালেহ এবং প্রথম ইউএনও অনুজ, সহকর্মী ড. আশরাফুল ইসলামের অপরিসীম শ্রম ও আন্তরিকতা প্রশংসনীয় ছিল। মীর্জাপুর গ্রামের সদ্য অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ কুতুবুল আলম তাঁর নবনির্মিত বাড়িটি উপজেলা অফিসের জন্য সাময়িকভাবে হস্তান্তর করে দিয়ে তিনি যেন সেদিন সরকারকেই কৃতজ্ঞ করেছিলেন।

তখনকার স্হানীয় সংসদ সদস্য ও বরেণ্য রাজনীতিক প্রয়াত লুৎফুল হাই সাচ্চু স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে খানিকটা দূরবর্তী চম্পকনগর নামক বড় বাজার ও গ্রোথ সেন্টার সংলগ্নে প্রতিষ্টা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সরকারের সিদ্ধান্ত মতে খাস জমিতেই অবকাঠামো নির্মাণের পক্ষে জেলাপ্রশাসক হিসেবে মোঃ আব্দুল মান্নান এর সুদৃঢ় অবস্থান থাকে।

চম্পকনগর হলে নতুন করে জমি অধিগ্রহণ (Acquisition) পূর্বক এর উন্নয়ন করতে হত। মোট ১৪ একর জমির ওপর বর্তমানে বিজয়নগর উপজেলা কমপ্লেক্সটি গড়ে ওঠেছে। তখন সেই পরিমাণ জমি অধিগ্রহণ করতে এবং বাজার মূল্যের তিনগুণ পরিশোধের হিসাব করলে শতকোটি টাকার কাছাকাছি চলে যেত। তখন ফসলি জমি অধিগ্রহণ না করে বরং খাস জমিতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নির্বাচন করে সরকারের অর্থ সাশ্রয় করা হয়। এতে সংসদ সদস্যের মহা বিরাগভাজন জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল মান্নান। এমনকি বদলির আশঙ্কা নিয়েও তাকে সেই জনস্বার্থমূলক সিদ্ধান্তে অটল থাকতে হয়েছিল।জমিটা খাদুরাইল গ্রামের জাপান প্রবাসী ধরনাঢ্য ব্যক্তির দখলে ছিল। সেই প্রবাসী হয়তো সেখানে তার রাজসিক একখানা বাড়ির জন্য বহুতল প্রাসাদ নির্মানের স্বপ্নে বিভোর ছিলেন। আর তখনকার জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল মান্নান চেয়েছিলেন সরকার অর্থাৎ দেশের সম্পদকে সুরক্ষা করতে।

সে সময় জেলার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে দখলকৃত খাস জমি উদ্ধারে ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করে যথেষ্ট সফলতাও পেয়েছিলেন জেলা প্রশাসক। এমনকি ভূমি মন্ত্রনালয় থেকে প্রশংসা পত্র পেয়েছিলেন। একইসঙ্গে উল্লিখিত ১৪.৩৮ একর জায়গা সরকারের অধীনে রাখার জন্য দলিলপত্র ও তথ্য উপাত্ত দিয়ে সর্বাধিক সহযোগিতা করেছিলেন তখনকার ইছাপুরা ইউনিয়ন পরিষদের সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন।তিনি স্বউদ্যোগে সরকারের হয়ে উচ্চ আদালতের মামলা দায়ের করেন। দেড়দশকেও তিনি সেই মোকদ্দমা নিয়ে লড়ে যাচ্ছেন।

পরবর্তীতে একই আসন থেকে উপনির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য উবায়দুল মুক্তাদির চৌধুরী রহস্যজনকভাবে জাপান প্রবাসী বাবুল আক্তারকেই সহযোগিতা করে আসছিলেন, এটা ছিল অবিশ্বাস্য ও দুর্ভাগ্যজনক।

উপজেলার নির্মাণে পক্ষে থাকায় ২০১৪ সালে উপনির্বাচনে জয়ী সংসদ সদস্য উবায়দুল মুক্তাদির চৌধুরীর মামলায় সাতগাঁও গ্রামের ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক (সাবেক) বি এন পি প্রয়াত আহসানুল হক (মহসিন) চৌধুরী ও বর্তমান বিজয়নগর উপজেলার বি আর ডি বি চেয়ারম্যান এইচ এম জহিরুল ইসলাম ৩৩ দিন কারাভোগ করেন।

সাংবাদিক মৃণাল চৌধুরী (লিটন) ও বাপ্পি চৌধুরী উপজেলা প্রতিষ্ঠার উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন ও তাদের ভাই সাংবাদিক প্রবীর চৌধুরী (রিপন) প্রথম থেকেই জাপান প্রবাসী বাবুল আক্তারের গ্রুপের দায়ের করা তিনটি মামলার আসামি করা হয় এবং মুক্তাদির চৌধুরীর (সাবেক এমপির) নির্যাতনের শিকার হন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও অন্যান্য দস্তর উপজেলা গেজেট অনুযায়ী এক কিলোমিটারের মধ্যে হওয়ার কথা থাকলেও আওয়ামী সরকারের এমপি উবায়দুল মুক্তাদির চৌধুরী আইন ভঙ্গ করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চম্পকনগর নিয়ে নেওয়ার প্রতিবাদে মহামান্য হাইকোর্টে রিট দাখিল করেন। এরপর থেকে প্রবীর চৌধুরী রিপনের উপর নেমে আসে এমপির চেতনের ঝড়।তখন গুটি কয়েকজন ছাড়া বিজয়নগরের বিশিষ্টজনেরাও এমপির পক্ষে সাই দিয়েছিল।

আজকে বিজয়নগর উপজেলা থেকে সরকারি সকল প্রকার সেবা লাভ করে স্হানীয় জনগণের মধ্যে বিপুল উচ্ছ্বাস এবং আনন্দ দুই-ই রয়েছে।এমনকি উপজেলার নামকরণ নিয়েও তাঁরা গর্বিত। আজ একটা জমজমাট ও লোকারণ্য উপজেলা পরিষদের সকল সুযোগ-সুবিধা নিয়ে মাথা উঁচু করে তথা বিজয়ের মুকুট পরে দাঁড়িয়ে আছে বিজয়নগর।

ইছাপুরা ইউনিয়নের আক্তার হোসেন বিজয়নগর উপজেলার পরিবেশ রক্ষায় ও সচেতন নাগরিকের দায়িত্বে, ২৭শে আগস্ট ২০২৩ সালে সচিব, ভূমি মন্ত্রণালয় বরাবর আবেদনে উল্লেখ করেন, মির্জাপুর মৌজার ৫৭২ হালে ১০২০, ৫৭৩ হালে ১০২৩, ১০২৫, ১০২৬ দাগে সরকারি খাল ভরাট করে বিল্ডিং নির্মান ও ১০১১ হালে ৩২০৯ দাগে ২৬৪ শতক ১৪২১ হালে ৩৭৫৭ দাগে ১৬১ শতক ১নং খাস জায়গা বকুল গংরা দখলে রেখেছে বলে অভিযোগ করেন।

আক্তার হোসেনের অভিযোগ, এই জনস্বার্থে কাজ করার লক্ষ্যে জিয়াউল হক বকুলের সাথে পারিবারিক কলহে জড়িয়ে তার ভাই মোশারফ হোসেনকে প্রকাশ্যে দিবালোকে আক্রমণের শিকার হন।

এত প্রতিকূলতার সাথে যুদ্ধ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পূর্ব পাড়বাসী উপজেলা চিনিয়ে আনলেও আশানুরূপ ফলপ্রসুতে প্রশ্ন রয়ে গেল। উপজেলার প্রাঙ্গণে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পশু হাসপাতাল ও ফায়ার সার্ভিস না দেওয়াতে অনেকাংশই সেবা প্রত্যাশীরা বঞ্চিত। বিতর্ক রয়েছে উপজেলা মডেল মসজিদের স্থাপনা নিয়েও।

বর্তমানে বিজয়নগর বাসি সংশ্লিষ্ট পার্লামেন্ট সদস্য ও জেলা প্রশাসকসহ সরকারের কর্মকর্তাদের কাছে দাবি জানান, চলমান মামলাটি খারিজ করে বিজয়নগরকে কলঙ্ক মুক্ত করে এবং গায়েব কৃত মামলাগুলো পুনরায় উজ্জীবিত করা।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

খুলনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২

লিফট আতঙ্ক পিছু ছাড়ছেনা হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের

ওপেক ও ওপেক প্লাস থেকে বেরিয়ে গেল আমিরাত

পুলিশে নতুন করে সাড়ে ১৪ হাজার পদ সৃষ্টি হচ্ছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পটুয়াখালীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালন

১৫ মে’র মধ্যে সিডিএ’র খাল সংস্কার কাজ শেষ হবে: চসিক মেয়র শাহাদাত

টয়লেটে মোবাইল ফোনে প্রশ্ন সমাধান, এসএসসি পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

ফুলবাড়ীতে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী বুড়া চিন্তামন ঘোড়ার মেলা

ধুনটে পৌর পার্কের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন

রূপগঞ্জে স্কুল ফিডিং প্রকল্পে নিম্নমানের বাসি দুর্গন্ধযুক্ত খাবার পরিবেশনে অনিয়মের অভিযোগ

১০

ধনবাড়ীতে একই পরিবারের ৫ সদস্যের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ, ঘরছাড়া হয়ে মানবেতর জীবনযাপন

১১

সাভারে সাংবাদিককে অপহরণ চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন; প্রতিবাদে কলম বিরতি

১২

শ্রীপুরে পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার পথে সিএনজি উল্টে আহত ৫

১৩

ভূরুঙ্গামারীতে চিকিৎসকের বাড়িতে চুরি ও অগ্নিসংযোগ, ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি

১৪

সিংড়ায় চাল-পানি খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৮ ধানকাটা শ্রমিক

১৫

কিশোরগঞ্জে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস ২০২৬ উদযাপন

১৬

বোয়ালখালীতে বিদ্যুৎস্পর্শে প্রাণ গেল যুবকের

১৭

বকশীগঞ্জে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত

১৮

বিজয়নগর উপজেলা সৃষ্টিতে উদ্যোক্তাদের ভূমিকা

১৯

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খাল খননকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী ইশতেহারে এনেছেন

২০