
পটুয়াখালী প্রতিনিধি : পটুয়াখালীতে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই পুলিশের হাতে গ্রেফতার।
জানা যায়, পটুয়াখালীর পৌরসভাধীন ২নং ওয়ার্ডের কাঠপট্টি নিবাসী মোসা: শাহিনুর বেগম তার মেয়ে মোসা: লামিয়া আক্তার (২৬) কে ধর্ষনের দায় ২নং ওয়ার্ডের কলের পুকুর পাড় নিবাসী মোঃ সফিউল বসার কামাল মোল্লা(৪০) কে ফাঁসানোর জন্য আসামী করে গত ১৯.০৬.২০২৫ তারিখ মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। যার পিটিশন মামলা নং- ৪২২/২০২৫, যা নারী ও শিশু মামলা নং- ৩৫/২৬।
বিজ্ঞ ট্রাইব্যুনাল মামলাটি ওসি পটুয়াখালী সদরকে এজাহারের নির্দেশ দেন। উক্ত মামলায় পুলিশ কামাল মোল্লাকে গ্রেফতার করেন এবং তিনি কারাভোগ করেন। কিন্তু মামলার তদন্তকারী কর্মকতার চুড়ান্ত রিপোর্টে এটাই প্রমান হয় যে, মামলাটির সাক্ষ্য প্রমান ও ঘটনার পারিপার্শ্বিকতায় এবং ভিকটিমের এমসি ও ডিএনএ রিপোর্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় বাদী তার মেয়ে লামিয়া আক্তারকে ভিকটিম দেখিয়ে যে মামলা করেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রমান হওয়ায় বিবাদী কামাল মোল্লাকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
পরবর্তীতে কামাল মোল্লা মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়ে মিথ্যা মামলাকারী মা মেয়ের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ ( সংশোধনী – ২০০৩) এর ১৭(১৭)/৩০ ধারায় মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় বিজ্ঞ আদালত ওয়ারেন্ট জারী করলে ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় সদর থানা পুলিশ মিথ্যা মামলার বাদী শাহিনুর বেগমকে পুলিশ গ্রেফতার জেল হাজতে প্রেরণ করে।
এবিষয়ে মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়া মোঃ সফিউল বসার কামাল মোল্লা বলেন, এই মা মেয়ে আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে এবং আর্থিক ক্ষতি সাধন করেছে। এরা বিভিন্ন লোককে এভাবে হয়রানি করে। এদের সঠিক বিচার হওয়া দরকার।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান এর সাথে কথা বললে তিনি গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত হিসেবে তাকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।