
পাকুন্দিয়ার ৫নং বুরুদিয়া ইউনিয়ন পরিষদে চলছে স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম, দূর্নীতি ,ক্ষমতার অপব্যবহার ও সরকারী অর্থ আত্মসাতের মহোৎসব৷
প্যানেল চেয়ারম্যান শাহজাহানই হচ্ছে এ রাম রাজত্বের প্রধান কর্ণধার। যেখানে ১২জন ইউপির সদস্যের নির্ধারিত পরিষদে বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী টিআর, কাবিটা, ১% টাকার নেই কোন হিসাব নিকাশ।জন্ম নিববন্ধন ও মৃত্যূ সনদে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে সরকারী নিয়ম লংঘণ নিত্য নৈমিওিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে৷
জানাগেছে অতিসম্প্রতি উক্ত ইউনিয়নে পরিষদের তহবিলে মজুতকৃত ওয়ান পার্সেন্ট খাতের মোটা অংকের টাকা কোথায় ব্যায় হয়েছে তার নেই কোন সুস্পষ্ট জবাব৷পরিষদের ওয়ার্ড সদস্যরাও কেউ জানে না এই অর্থ কোথায় গেছে? ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বিগত ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ খ্রীঃ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ওয়ার্ড সদস্য ভাষন ভূষণে হয়ে উঠেন মহাপ্রতাপশালী। ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য আলআমিন ও ৭,৮৯ নং ওয়ার্ড এর সংরক্ষিত আসনের সদস্য লিমা খাক্তার ছাড়া অন্য কাউকে পরিষদ কক্ষেৎ অন্তর্ভুক্তি যেন এক বিমাতাসুলভ আচরণের শিকার হতে হয়।
সম্প্রতি আলমদী এলাকায় একটি পুরাতন ভাংগা ব্রীজ সংস্কারকে নিয়ে শুরু করেছে অর্থ আত্মসাতের মহোৎসব।অতি নিম্নমানের কংক্রিট,ঢালাই সামগ্রী ও প্রকৌশল অদক্ষতার ব্রীজ নির্মান সম্পর্কে এলাকার বাসীর রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। তাদের মতে প্যানেল চেয়ারম্যান বড় অংকেট অর্থ আত্মসাতের জন্য এলজিইডির নির্ধারিত কাজ নিজেই করছেন৷
অনেকেই আবার ওয়ান পার্সেন্ট টাকা জায়েজ করতে এমনটি করেছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিমত প্রকাশ করেন৷ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহজাহান মুঠোফোনে গনমাধ্যম প্রতিনিধিকে ওয়ান পার্সেন্ট টাকা স্কুলের গেইট নির্মাণ করেছেন বলে জানিয়েছেন৷অপর দিকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্রীজটি সংস্কারের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার পাকুন্দিয়ার নির্দেশ রয়েছে বলে জানান৷