২ জুন ২০২০, ১০:৫৪ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

করোনা নিয়ন্ত্রনে চাই কার্যকর ও বাস্তব সম্মত ব্যবস্হাপনা

কভিড১৯ আক্রান্ত হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। লক্ষন দেখা দেওয়ার সাথে সাথে পরিক্ষা এবং ফলাফল নিশ্চিত করতে হবে। প্রাথমিক সনাক্ত এবং চিকিৎসা নিশ্চিত হলে আই সি ইউ ও ভেন্টিলেটর বিডম্বনা অনেকাংশে এড়িয়ে চলা সম্ভব। বাস্তবতা হচ্ছে করোনার সব লক্ষ্মণ পরিলক্ষিত না হলে সন্দেহভাজন পরিক্ষার সম্মুখীন হচ্ছে না। যখনি পরিক্ষার সম্মুখীন হচ্ছে ফলাফলের অপেক্ষার সময়টুকু হল ৫-৭ দিন।

এক্ষেত্রে সন্দেহভাজন আগে অবাধে চলাফেরা করছে এবং পরিক্ষার ফলাফলের পূর্বে ও অবাধে চলাফেরা বিদ্যমান। এক্ষেত্রে করনীয় নির্ধারণ করা উচিত ছিল লক্ষ্মণ দেখা দেওয়ার সাথে সাথে বাধ্যতা মূলক কোয়ারান্টাইন এবং পরিক্ষা এবং ফলাফলের মধ্যেবর্তী সময় টুকু প্রতিষ্ঠানিক আইসোলেশন নিশ্চিত করা। এ ব্যবস্হায় সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকরী ফলাফল পাওয়া যেত। এই রোগ যতটা ভয়াবহ নয় আতঙ্ক এবং অব্যবস্হাপনা এটাকে ভীতিকর পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে ক্রমাগত।

প্রথমিক পর্যায়ে সনাক্ত ও চিকিৎসা নিশ্চিত করতে না পারায় ভেন্টিলেটর এবং আই সি ইউ চাহিদায় চাপ বাড়ছে এবং ক্রিটিকাল রোগীকে চহিদা অনুয়ায়ী আই সি ইউ ও ভেন্টিলেটর সুবিধা দেয়া যাচ্ছে না। অসুস্থ ব্যক্তি চিকিৎসা গ্রহণের বিড়ম্বনা উদ্বেগ এবং উৎকণ্ঠাকে বেশি প্রশমিত করছে। এক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালে অন্তত তিনটি জোনে ভাগ করে চিকিৎসা ব্যবস্হা নিশ্চত করলে স্বস্তির কিছুটা নিঃশ্বাস নেয়া যাবে।

সেক্ষেত্রে সাধারণ রোগী, সন্দেহভাজন, করোনা রোগী তিনটি জোনে ভাগ করা যেতে পারে। মূলত চিকিৎসা ব্যবস্হাকে স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে যার জন্য প্রাথমিক সনাক্ত এবং চিকিৎসা বিকল্প নেয়। দেশের সব বেসরকারি ক্লিনিক কে করোনাকে সাধারন চিকিৎসার আওতায় নিয়ে আসা নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে বিশেষ ব্যবস্হা নেয়া যেতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সংক্রমণের নিরোধ খুভ জটিল। এক্ষেত্রে সচেতনতা, দ্রুত সনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহণ একমাত্র সমাধান।

গণস্বাস্থ্যের উদ্ভাবিত কিঠ গুলো প্রয়োজন সাপেক্ষে প্রথমিক সনাক্তকরণে ব্যবহার করা যেতে পারে। অতিরিক্ত সনাক্তকরণের চেয়ে অধিক সংক্রমণ মারাত্নক। এক্ষেত্রে সংক্রামিত রুগীদের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তবে হ্যঁ, প্রচলিত সমাজিক ব্যবস্হা, অতিরিক্ত ভীতিকর পরিস্থিতি, চিকিৎসা ক্ষেত্রে অব্যবস্হাপনা, বন্ধু-বান্ধব, আত্নীয় স্বজন যে নেতিবাচক মনোভাব এগুলো বাস্তবতা চেয়ে আরো বেশি পরিস্থিতিকে ঘনীভূত করে তুলছে।

গোলাম কিবরিয়া, লেখক ও প্রাবন্ধিক

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আশুলিয়ায় হামলা-ভাংচুরের ঘটনায় গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন

মাইনীমুখ মডেল হাই স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীনদের বরণ অনুষ্ঠিত

বাউফলে হাম প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা

বাঁশখালী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ধুনটে শিক্ষার মান উন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাঁশখালী আইনজীবী সমিতির সভাপতি নির্বাচিত মোহাম্মদ নাছের

মোরেলগঞ্জের প্রতিবন্ধী শিশু অদম্য মাইশা বাঁকা হাতেই বৃত্তি পরীক্ষা দিচ্ছে

বাগেরহাটে ২০ এপ্রিল থেকে হাম-রুবেলা টিকাদান শুরু

কাহালুর বিবিরপুকুর আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সততা স্টোরের উদ্বোধন

উলিপুরে বিদায় ও বরণ উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

১০

আড়াইহাজারে শিক্ষকের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

১১

নামেই ‘মডেল’, বাস্তবে জরাজীর্ণ: বকশীগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেহাল দশা

১২

আউশ আবাদে উৎসাহিত করতে বকশীগঞ্জে ১,২৫০ কৃষক পেলেন সরকারি প্রণোদনা

১৩

পার্বত্য মন্ত্রী ও সাংসদের মৈত্রী পানি বর্ষণ মধ্য দিয়ে জলকেলীর শুভসূচনা

১৪

মোরেলগঞ্জ-শরণখোলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ এসএসসি পরীক্ষার্থীরা: জনজীবনে চরম ভোগান্তি

১৫

দেশের ৫৩ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন

১৬

ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে বলল চীন

১৭

আ. লীগ আমলে বিসিএস ক্যাডার নিয়োগে দলীয়করণ, তদন্ত করে ব্যবস্থা

১৮

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদ মন্ত্রী

১৯

বকশীগঞ্জে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে বৃদ্ধের ঘর ভস্মীভূত, নিঃস্ব পরিবার

২০