প্রতিনিধি ১ নভেম্বর ২০২৫ , ২:৪২:৫৫ প্রিন্ট সংস্করণ
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতকে জাতীয় অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত করতে একের পর এক বৈঠক করছে বিনিয়োগ সমন্বয় কমিটি। ইতিমধ্যে চার দফা বৈঠকে নেওয়া হয়েছে নানামুখী সংস্কার ও বাস্তবায়নমূলক সিদ্ধান্ত।
এই বৈঠকগুলোতে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানসহ সরকারি ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা। আলোচনায় মূল গুরুত্ব দেওয়া হয় উদ্যোক্তাদের সরাসরি অংশগ্রহণের মাধ্যমে এসএমই খাতকে নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় আরও অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং শনিবার জানায়, এসব বৈঠকে ইতিমধ্যে কিছু সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পথে রয়েছে।
বাস্তবায়িত ও চলমান উদ্যোগগুলো
এর আগে ২৮ আগস্ট ও ২১ সেপ্টেম্বরের বৈঠকগুলোতে এসএমই উদ্যোক্তাদের অভিজ্ঞতা, চ্যালেঞ্জ এবং প্রস্তাব শোনার পর বেশ কিছু নীতি সংশোধনের সুপারিশ পাঠানো হয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে। ৮ অক্টোবর অনলাইনে আয়োজিত সভায় দেশের বিভিন্ন জেলার উদ্যোক্তারা অংশ নেন।
গৃহীত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তসমূহ
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে এইচএস কোডের প্রথম চার অঙ্ক মিললেই মূল্যায়ন সম্পন্ন করা যাবে—যা ব্যবসার প্রক্রিয়া আরও সহজ করবে।
বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, “এই সংস্কারের লক্ষ্য অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করা। এসএমই খাতের উদ্যোক্তারা আমাদের অর্থনীতির মেরুদণ্ড, তবে তাদের কণ্ঠ বড় ব্যবসায়ীদের মতো জোরালোভাবে শোনা যায় না। তাই অর্থায়ন থেকে সরবরাহব্যবস্থা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে তাদের জন্য ব্যবসার পরিবেশ সহজ করতে হবে। সরকারকে হতে হবে তাদের সহায়ক, বাধা নয়।”

















