Shakil Shah
১৩ জানুয়ারী ২০২১, ১:৪৩ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

সেদিন যা দেখেছিলেন জবানবন্দি দিলেন দারোয়ান দুলাল

ভোরের দর্পণ ডেস্কঃ

 

রাজধানীর মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী আনুশকা নুর আমিন ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান অভিযুক্ত ফারদিন ইফতেখার দিহানের বাসার দারোয়ান দুলাল মিয়াকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ ও জবানবন্দি নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। দুলাল ঘটনার পর থেকে পালিয়ে ছিল।

কলাবাগান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দুলাল এই মামলার আসামি নন। তাকে সোমবার পুলিশ হেফাজতে নিয়ে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি যতটুকু জানেন, আমরা ততটুকু জানার চেষ্টা করেছি। মঙ্গলবার সকালে তাকে আদালতে নেওয়া হয়েছিল। ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে তিনি লিখিত জবানবন্দি দিয়েছেন। এরপর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’

মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দুলালের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে বলেন, ‘দুলাল আমাদের বলেন, দিহান ওই ছাত্রীকে বাসায় নিয়ে গেলে দারোয়ান তাকে কিছু বলেননি। এর এক ঘণ্টা পর দিহান ইন্টারকমে তাকে ফোন করে উপরে উঠতে বলেন। উপরে গিয়ে দারোয়ান দেখেন, মেয়েটিকে সোফায় শুইয়ে রাখা হয়েছে। মেয়েটি তখন অচেতন অবস্থায় ছিল। ওই সময় সোফায় রক্ত লেগে ছিল। পরে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য তাদের গাড়িতেও তুলে দেন দুলাল। এর প্রায় এক ঘণ্টা পর তিনি বাসা থেকে পালিয়ে যান।’

এদিকে আনুশকার বাবা দাবি করে বলেন, ‘ঘটনা একা ঘটায়নি দিহান। আনুশকাকে যেভাবে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে এতে আরো কেউ জড়িত রয়েছে বলে ধারণা করছি। কেবল পুলিশই পারে মূল রহস্য উদঘাটন করতে।’

প্রসঙ্গত, গত ৭ জানুয়ারি সকালে বন্ধু দিহানের মোবাইল কল পেয়ে বাসা থেকে বের হন রাজধানীর ধানমণ্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী আনুশকা নুর আমিন। এরপর আনুশকাকে কলাবাগানের ডলফিন গলির নিজের বাসায় নিয়ে যান দিহান। ফাঁকা বাসায় শারীরিক সম্পর্কের একপর্যায়ে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে দিহানসহ চার বন্ধু তাকে ধানমণ্ডির আনোয়ার খান মডার্ন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ধর্ষণের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয় বলে জানান চিকিৎসকরা।

ওই দিন রাতে নিহত ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯-এর ২ ধারায় ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ আনা হয়। মামলার একমাত্র আসামিকে সেদিন রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। সে অনুযায়ী আসামি দিহান ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে একই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শিক্ষার মানোন্নয়নে সাংসদ খোকন তালুকদারের সাথে শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় সভা

সোনাহাট সেতু পরিদর্শনকালে দ্রুত কাজ শেষ করার তাগিদ দিলেন এমপি আনোয়ারুল

মাদারীপুর হাসপাতালে ২১ জন মেডিকেল অফিসারের পদায়ন, স্বাস্থ্য সেবার স্বস্তি

ফুলবাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত

বাঁশখালীতে ১১ দল ও বিশিষ্টজনদের সম্মানে জামায়াতে ইসলামী’র ইফতার মাহফিল

মোরেলগঞ্জে এম পি আব্দুল আলিম এর সংবাদ সম্মেলন

কুবিতে’ বরুড়া ছাত্র- ছাত্রী পরিষদ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ইরান যুদ্ধের মধ্যেই ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালালেন কিম

আক্রমণ ছাড়া কোনো পথ ছিল না, উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের বার্তা

ঈদের ছুটি আরও বাড়ল

১০

‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ : সুদসহ আমানত ফেরতের দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও

১১

বাগেরহাটে দুই হাজার পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

১২

কর্মচারীর ছুরিকাঘাতে ইবির সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি নিহত

১৩

৬ জেলায় নতুন পুলিশ সুপার নিয়োগ

১৪

এবার সর্ববৃহৎ মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের

১৫

চার হাজার শিক্ষার্থী নিয়ে হাবিপ্রবি ছাত্রদলের গণ-ইফতার আয়োজন

১৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি অপরিবর্তনীয় নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী

১৭

ভিনদেশী সবজি চাষে কৃষক আজিজুলের বাজিমাত!

১৮

আশুলিয়া থানার উদ্যোগে মাদক বিরোধী মতবিনিময় সভা ও র‌্যালি

১৯

সাংবাদিকদের সম্মানে জেলা জামায়াতে ইসলামীর ইফতার

২০