
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অনিয়মিত ও জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থীদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।
সোমবার (২০ অক্টোবর ২০২৫) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এসব পরীক্ষার্থীকে ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস অনুযায়ী প্রণীত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিতে হবে। তবে নিয়মিত পরীক্ষার্থীরা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে অংশ নেবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের এক থেকে চার বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ বহাল থাকলে ২০২৬ সালের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। এজন্য আগামী ৩ ডিসেম্বরের মধ্যে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে সাদা কাগজে আবেদন জমা দিতে হবে।
২০২২–২৩ ও ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষে রেজিস্ট্রেশনধারী শিক্ষার্থীরা যারা ২০২৪ ও ২০২৫ সালে পরীক্ষায় অংশ নেয়নি, তারা অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। তবে তাদের কোনোভাবেই নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হবে না। অন্যদিকে, ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষে রেজিস্ট্রেশনধারী যারা রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও এক বিষয়ে অকৃতকার্য রয়েছে, তারা বিশেষ বিবেচনায় এক বছরের জন্য রেজিস্ট্রেশন নবায়ন করে ২০২৬ সালের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। এ পরীক্ষার্থীরা ২০২৫ সালের (পুরাতন) সিলেবাস অনুযায়ী পরীক্ষা দেবে। আগে উত্তীর্ণ বিষয়ের জিপিএ সংরক্ষিত থাকবে এবং নতুন প্রাপ্ত জিপিএর সঙ্গে যোগ করে চূড়ান্ত ফল নির্ধারণ হবে।
এছাড়া, ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় সব বিষয়ে উত্তীর্ণ হয়ে জিপিএ–৫-এর কম প্রাপ্ত পরীক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকলে ২০২৬ সালে জিপিএ উন্নয়নের সুযোগ পাবে। তাদেরও ২০২৫ সালের পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে পরীক্ষা দিতে হবে। নতুন ফলাফল উন্নত হলে তা গ্রহণ করা হবে, নচেৎ পুরনো ফল বহাল থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সব শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ‘শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা’ এবং ‘ক্যারিয়ার এডুকেশন’ বিষয়ের ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে কেন্দ্রগুলোতে পাঠাতে হবে। কেন্দ্র ব্যবহারিক নম্বরের সঙ্গে এগুলো একত্র করে বোর্ডের ওয়েবসাইটে পাঠাবে এবং মূল কপি হাতে হাতে জমা দিতে হবে।